জামাইকা: ৮ মাস আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরেছে ভারত৷ কিন্তু প্রত্যাবর্তনটা মোটের সুখের হয়নি৷ অস্ট্রেলিয়ার কাছে সিরিজের প্রথম ওয়ান ডে ম্যাচেই নাস্তানাবুদ হয়েছে ভারত৷ ধোনি পরবর্তী বিরাটের দলের হাল দেখে মোটেই খুশি নন প্রাক্তন ক্যারিবিয়ান পেসার মাইকেল হোল্ডিং৷

চলতি বছর অগস্টে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন মহেন্দ্র সিং ধোনি৷ আর ধোনির অবসরের পর এটাই বিরাটদের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ৷ শুক্রবার সিডনিতে সিরিজের প্রথম ওয়ান ডে ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে দুরমুশ হয় ভারত৷ অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৩৭৪ রানের পাহাড়প্রমাণ রান তাড়া করে ৬৬ রানে ম্যাচে কোহলি অ্যান্ড কোং৷

শুরুটা ভালো হলেও দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় ভারত৷ সেখান থেকে শিখর ধাওয়ান ও হার্দিক পান্ডিয়ার লড়াইয়ে ভারতকে ম্যাচে ফেরালেও শেষরক্ষা হয়নি৷ কিন্তু পঞ্চম উইকেটে ধাওয়ান ও হার্দিকের পার্টনারশিপ ভাঙতেই ভারতের আশা শেষ হয়ে যায়৷ নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩০৮ রান তোলে ভারত৷

বিরাটদের রান তাড়া করা প্রসঙ্গে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে হোল্ডিং বলেন, ‘ভারতীয় দলে বেশ কয়েক জন ভালো ক্রিকেটার রয়েছে৷ তবে আমি নিশ্চিত কোহলির দলে এমএস ধোনির অবাববোধ হচ্ছে৷ আমরা জানি, ধোনি ইনিংসের মাঝে ব্যাট করতে আসত৷ ক্রিজে এসে ও ইনিংস নিয়ন্ত্রণ করত৷ অতীতে ধোনি যখন খেলত, তখন ভারত বড় রান তাড়া করেছে৷ ভারত তখন টস জেতা অথবা হারা নিয়ে ভয় পায়নি, কারণ তখন দলে ধোনি ছিল৷ এখনও ভারতীয় দলরে ব্যাটিং দারুণ প্রতিশ্রুতিময়৷ দারুণ স্টোক-প্লেয়ার রয়েছে৷ কিন্তু তবুও দলে ধোনির মতো প্লেয়ার দরকার৷ শুধু ধোনির মতো দক্ষতা থাকলেই হবে না, ওর মতো চরিত্রের হতে হবে৷’

প্রাক্তন এই ক্যারিবিয়া পেসার আরও বলেন, ‘রান তাড়া করার সময় ধোনিকে আমরা কখনও আতঙ্কিত হতে দেখিনি৷ ও ভালো রান তাড়া করতে পারত, কারণ ও জানত দলের রান তাড়া করার ক্ষমতা রয়েছে৷ ওর সঙ্গে যেই ব্যাট করুক না কেন, সবসময় ও তার সঙ্গে কথা বলত৷ দারুণ ব্যাটিং লাইন-আপ ছিল৷ রান তাড়া করার ক্ষেত্রে এমএস ধোনি স্পেশাল ছিল৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।