মুম্বই: নাইটদের কাছে হারের ক্ষত এখনও শুকোয়নি মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের৷ বৃহস্পতিবার ঘরের মাঠে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ধামাকাদার শুরু করেও বড় রানের ইনিংস গড়তে ব্যর্থ হিটম্যান অ্যান্ড কোং৷ প্রত্যাশাপূরণে ব্যর্থ রোহিত ও হার্দিক৷ তবে কুইন্টন ডি’ককের লড়াইয়ে সানরাইজার্সের সামনে ১৬৩ রানের টার্গেট রাখল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স৷

‘ডু অর ডাই’ লড়াইয়ে টস জিতে ওয়াংখেড়ের বাইশ গজে প্রথম ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ক্যাপ্টেন রোহিত শর্মা৷ প্রথম তিন ওভারে ১০-এর বেশি রান-রেট থাকলেও পাওয়ার প্লে-র শেষ ওভারে রোহিতের উইকেট হারায় মুম্বই৷ ১৮ বলে পাঁচটি বাউন্ডারি-সহ ২৪ রান করে ডাগ-আউটে ফেরেন রোহিত৷ খলিল আহমেদের বাউন্সার পুল করতে গিয়ে আউট হন ‘হিটম্যান’৷

এর পর সূর্যকুমার ডি’ককের সঙ্গে মুম্বই ইনিংসেক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করন৷ কিন্তু ১৭ বলে ২৩ রানে সূর্যকুমারও খলিলের বলেই ডাগ-আউটে ফেরেন৷ এর পর ব্যক্তিগত ১ রানে লুইসকে তুলে নেন নবি৷ তার পর হার্দিক পান্ডিয়া ১০ বলে ১৮ রান করলেও ভুবনেশ্বর কুমারের শিকার হন৷ আগের ম্যাচে নাইটদের বিরুদ্ধে ঝোড়ো ৯২ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচ জমিয়ে দেওয়া হার্দিককে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার আগেই ডাগ-আউটে ফেরান ভুবি৷ অন্য প্রান্তে লড়াই চালিয়ে যান ডি’কক৷

শেষ পর্যন্ত ৬৯ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি৷ ৫৮ বলের ইনিংসে ২টি ছক্কা ও হাফ-ডজন বাউন্ডারি মারেন ডি’কক৷ কাইরন পোলার্ডও এদিন বিশেষ সুবিধা করতে পারেননি৷ ৯ বলে ১০ রান করে আউট হন ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যান৷ শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটে ১৬২ রান তোলে মুম্বই৷

ওয়াংখেড়েয় নতুন ওপেনিং জুটিতে রান করতে নামে হায়দরাবাদ৷ কারণ বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে হায়দরাবাদের দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও জনি বেয়ারস্টো দেশে ফিরে গিয়েছেন৷ চলতি আইপিএলে স্বপ্নের ফর্মে ছিলেন ওয়ার্নার ও বেয়ারস্টো৷ চলতি আইপিএলে এই দুই ব্যাটসম্যানের ব্যাট থেকে এসেছে ১০০০ বেশি রান৷

ওপেনিং জুটিতে এসেছে একাধিক সেঞ্চুরি৷ ১০ ম্যাচে চারটি সেঞ্চুরি পার্টনারিশিপ ছিল ওয়ার্নার-বেয়ারস্টোয়ের৷ আগেই দেশে ফিরে যাওয়ায় শেষ দু’টি ম্যাচ খেলেননি বেয়ারস্টো৷ আর কিংস ইলেভেনের বিরুদ্ধে খেলে দেশের জার্সিতে খেলতে ফিরে গিয়েছেন ওয়ার্নারও৷ ফলে এদিন মার্টিন গাপ্তিল ও ঋদ্ধিমান সাহার ওপেনিং জুটিতে রান তাড়া করতে নামে সানরাইজার্স৷ ওয়াংখেড়েয় অবশ্য এ পর্যান্ত চার বারের লড়াইয়ে একবার মাত্র জিতেছে সানরাইজার্স৷