নয়াদিল্লি: এনআরএস-কাণ্ডের বিক্ষোভের আঁচ ছড়িয়েছে গোটা দেশে। আগুন ছড়িয়েছে দিল্লির এইমস পর্যন্ত। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও দেখা করেছেন চিকিৎসকরা। পাঁচদিনেও বিক্ষোভ না থামায় এবার রাজ্যকে অ্যাডভাইসরি দিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

শনিবার পাঁচদিনে পড়েছে এনআরএসে জুনিয়র ডাক্তারদের বিক্ষোভ। এর মধ্যে কলকাতা সহ রাজ্যের বহু সরকারি হাসপাতালে ইস্তফা দিয়েছেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসা পরিষেবা না পেয়ে ফিরতে হচ্ছে রোগীদের। এই পরিস্থিতির জন্য রিপোর্ট তলব করেছেন অমিত শাহের মন্ত্রক।

শনিবারের মধ্যেই সেই রিপোর্ট দিতে হবে রাজ্যকে। কি কারণে এই বিক্ষোভ, আর সেই বিক্ষোভ কেন চলছে এতদিন ধরে, সেই সব কারণ জানাতে হবে রাজ্য সরকারকে।

এর আগে সন্দেশখালির ঘটনা নিয়েও রাজ্যকে অ্যাডভাইসরি পাঠিয়েছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

শনিবারই গভর্নিং বডির বৈঠক ছিল এনআরএসে। সেখান থেকে বেরিয়ে জুনিয়র ডাক্তাররা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, আলোচনার জন্য তাঁরা নবান্নে যাবেন না। কথা বলতে হলে এনআরএসে এসেই কথা বলতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে।

অন্যদিকে, এইমসের বিক্ষোভরত ডাক্তাররা কলকাতায় বিক্ষোভরত ডাক্তারদের দাবি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে না মেটালে তাঁরা অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটে যাবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এদিনই আহত চিকিৎসক পরিবহ মুখোপাধ্যায়কে দেখতে মুখ্যমন্ত্রী হাসপাতালে যাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরে উত্তপ্ত এনআরএস। ১০ জুন রাতে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে সরকারি হাসপাতাল চত্বর৷ চিকিৎসায় গাফিলতিতে রোগী মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে৷ অভিযোগ, জুনিয়র চিকিৎসকদের প্রথমে মারধর করে মৃতের বাড়ির লোকেরা৷ পরিবহ মুখোপাধ্যায় নামে এক জুনিয়র ডাক্তার গুরুতর আহত হন। তাঁর মাথায় ভয়ঙ্কর চোট লাগে। অস্ত্রোপচারের পর আপাতত সুস্থ তিনি। কিন্তু আন্দোলন ছড়িয়েছে গোটা দেশ জুড়ে।