নয়াদিল্লি: বিদ্রোহী কৃষক-পুলিশ সংঘর্ষে ধুন্ধুমার দিল্লি৷ ব্যারিকেড ভেঙে লালকেল্লায় ঢুকে ওড়ানো হল কৃষক আন্দোলনের পতাকা৷ বিক্ষুব্ধ কৃষকদের থামাতে চলল কাঁদানে গ্যাস, জল কামান পুলশের লাঠি৷ বন্ধ করে দেওয়া হল ইন্টারনেট৷

পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হতেই উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে বসলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷ স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা এবং দিল্লি পুলিশ কমিশনার এসএন শ্রীবাস্তব এই বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে৷ অমিত শাহকে এদিনের পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানো হয়েছে৷

নিরাপত্তা নিয়ে আজ বড় সড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে৷ রাজধানীর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতেই আধা-সামরিক বাহিনীকে সজাগ থাকতে বলা হয়েছে৷ যাতে প্রয়োজন পড়লেই তারা পরিস্থিতি সামল দিতে পারে৷

দিল্লির বেশ কিছু অঞ্চলে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে৷ আজ মধ্যরাত পর্যন্ত ইন্টারনেট বন্ধ থাকবে সিঙ্ঘু, গাজিপুর ও টিকরি সীমান্ত, মুবারক চৌক ও নাঙ্গলাই সীমান্তে৷ জানা গিয়েছে, লাল কেল্লায় অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে৷ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে লালকেল্লার দরজা৷ কেন্দ্রের তিন কৃষি আইনের বিরুদ্ধে আজ প্রজাতন্ত্র দিবসে ট্র্যাক্টর ব়্যালি করার কথা ঘোষণা করেছিল কৃষক নেতারা৷

সেই মতো সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবেই শুরু হয় তাঁদের মিছিল৷ কিন্তু রাজধানীর রাজপথে কুচকাওয়াজ শেষ হতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে শুরু করে৷ পুলিশ নির্দিষ্ট রুটে তাঁদের মিছিল করার অনুমতি দিয়েছিল৷

ঠিক হয়েছিল দিল্লি সীমান্তেই চলবে তাঁদের ট্র্যাক্টর ব়্যালি৷ কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। সীমান্ত পেরিয়ে দিল্লির বিভিন্ন রাস্তায় ঢুকে পড়ে বিদ্রোহী কৃষকরা।

দুর্বার গতিতে তা দিল্লির বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে৷ তাঁদের পথ আটকাতে দিল্লির নয়ডা মোড়, আইটিও মোড়, এসবিটি এলাকায় খণ্ডযুদ্ধ বাধে দুই পক্ষের৷ কিন্তু কোনও ভাবেই তাঁদের থামনানো যায়নি৷ সোজা পৌঁছে যায় লালকেল্লায়৷ যদিও এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা৷

তাঁদের দাবি, কৃষকদের দলে কিছু দুষ্কৃতী ঢুকে গিয়ে এই তাণ্ডব চালিয়েছে৷ তাঁদের সমস্ত প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে গোটা আন্দোলনকে কলুষিত করা হয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।