নিউ ইয়র্ক: ক্রিসমাস শেষ হয়েছে সদ্য। এখনও উৎসবের মেজাজ। এরই মধ্যে আকাশ থেকে সোজা মাটিতে নেমে এল আগুনের গোলা। কেউ বললেন চিনের মিসাইল, কেউ বললেন কিম-জং-উনের ‘ক্রিসমাস উপহার।’

গত শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত ১১টা ২৫ মিনিটে ওই দৃশ্য দেখা যায়। আগুনের নেমে আসা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অনেকেই।

মারিয়ানা আইল্যান্ড থেকে ধরা পড়েছে সেই ছবি। এদিনই আবার সূর্যগ্রহণে ‘রিং অফ ফায়ার’ দেখেছে বিশ্বের মানুষ। যদিও ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিসের দাবি, এটা উল্কাপাত ছাড়া আর কিছু্ই নয়। এছাড়া অন্যান্য মহলের মতে, সম্প্রতি একটি রকেট টেস্ট করা হয়েছে, এটি তার অংশও হতে পারে।

ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিসের এক গবেষক প্যাট্রিক চ্যাং বলেন, ওই আগুনের গোলা হল একটি উল্কার অংশ। সমুদ্রের মাঝে টুকরো টুকরো হয়ে উল্কাটি পড়েছে বলে দাবি বিজ্ঞানীদের। প্রাথমিকভাবে অনুমান মারিয়ানা, সাইপানে পড়েছে টুকরোগুলো। যদিও এতে পৃথিবীপৃষ্ঠে কোনও ক্ষতি হয়নি বলে জানা গিয়েছে।

আরও সঠিক তথ্য জানার জন্য চেষ্টা করছেন গবেষকরা। তার মধ্যে এই আগুন উত্তর কোরিয়া বা চিনের মিসাইল বলে চলছে জোর আলোচনা।

সম্প্রতি, সশস্ত্র বাহিনীকে উৎসাহ দিতে উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ সামরিক কর্মকতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন।

বৈঠকে দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি জাতীয় প্রতিরক্ষা বিষয়ক বিভিন্ন উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে বলে গণমাধ্যমে জানানো হয়। যদিও বৈঠকে কি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তা সম্পর্কে কোনও তথ্য জানায়নি কর্তৃপক্ষ।

এর আগে, চলতি বছরের মধ্যে কোরীয় দ্বীপ পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করা হবে বলে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল উত্তর কোরিয়া।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানায়, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে সাড়া না পাওয়ায় পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছে না কিম জং উন প্রশাসন