নয়াদিল্লি: একদিন আগেই সাড়া জাগিয়ে বাজারে এসেছিল বাবা রামদেবের কিম্ভো৷ হোয়াটসঅ্যাপের নতুন প্রতিযোগী৷ এই নতুন মেসেজ অ্যাপ কিম্ভো বুধবার লঞ্চ করে পতঞ্জলি৷

এর মধ্যেই সমস্যা তৈরি হয়েছে এই অ্যাপে৷ গুগল অ্যাপে নাকি পাওয়া যাচ্ছে না কিম্ভো৷ ইউজারদের অভিযোগ তারা কোনওভাবেই গুগল অ্যাপে খুঁজে পাচ্ছেন না পতঞ্জলির এই অ্যাপটিকে৷

যোগগুরু রামদেব অ্যাপটি লঞ্চ করে বলেছিলেন, গুগল প্লে স্টোর থেকে সরাসরি সেটা ডাউনলোড করা যাবে। কিম্ভো মেসেজ অ্যাপের ট্যাগলাইন দেওয়া হয় ‘‌অব ভারত বোলেগা’‌। তবে সেই বলার আগেই অ্যাপ নাকি উধাও গুগল প্লে স্টোর থেকে৷

এর ফলে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে গ্রাহকদের মধ্যে৷ তঁদের অনেকেই ট্যুইট করে বলছেন পতঞ্চলি কী তুলে নিল তাদের অ্যাপ? কারণ এই নামে কোনও অ্যাপ নাকি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

নেটিজেনদের অনেকেই জানতে চেয়েছেন আদৌ কিম্ভো দিয়ে তারা কাজ চালাতে সক্ষম হবেন কিনা৷ এই প্রসঙ্গে সাইবার মিডিয়া রিসার্চ বা সিএমআর-এর মুখ্য আধিকারিক ফইজল কাওসা জানিয়েছেন হোয়াটসঅ্যাপের সঙ্গে পাল্লা দেওয়া সহজসাধ্য কাজ নয়৷

শুধু দেশি মাধ্যম ট্যাগ নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে লড়া কঠিন৷ এখনও পর্যন্ত মাত্র পাঁচ হাজার জন এই অ্যাপ ডাউনলোড করতে পেরেছেন৷ তবে তার পরেই এই সমস্যা দেখা দেওয়ায় কিম্ভোর বাজার যে প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখে পড়তে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য৷

গুগল প্লে স্টোরে কিম্ভো সম্পর্কে বলা হয়েছে, এর মাধ্যমে বিনা মূল্যে ফোন ও ভিডিও কলিংয়ের মাধ্যমে ব্যক্তিগত ও গ্রুপ চ্যাট করা যাবে। এছাড়াও টেক্স, অডিও, ভিডিও, ফটো, ভিডিও, স্টিকার, কুইকি, লোকেশন, জিইএফ, ডুডল সহ এতে অসংখ্য দুর্দান্ত বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.