ওয়াশিংটন: মৎস্যকন্যা নিয়ে এমন কোনো মানুষ নেই যার কোনো কৌতূহল বা জানার আগ্রহ নেই। তবে এখনো এটি একটি রহস্য। আদৌ পৃথিবীতে তারা আছে কীনা বা থাকলেও তারা কিভাবে থাকে সে নিয়ে নানা কাটাছেঁড়া হয়েছে বারবার। ইতিহাসের অনেক জায়গায় এর উল্লেখ চোখে পড়েছে বারবার। কেউ কেউ আবার বলেছেন যে তারা নাকি চাক্ষুস দেখেছেন। তবে হ্যাঁ, একটি শহর নাকি ছিল তাদেরই। সেখানে তারা নির্দ্বিধায় ঘুরে বেড়াতেন। আমেরিকার ফ্লোরিডার উইকি ওয়াচি নামক এক শহরে থাকত তারা।

কিন্তু এই মৎস্যকন্যারা আসলেই সত্যিকারের নয়। সেখানে মডেলরা মৎস্যকন্যা সেজে নানা খেলা দেখাতেন। সেই টানে ১৩ জন বাসিন্দার এই শহর গমগম করতো সবসময়েই। এছাড়াও ওয়াটার পার্ক, উইকি ওয়াচি স্প্রিং, বিভিন্ন প্রাণী সম্পর্কিত প্রদর্শনীগুলিও ছিল আকর্ষণের অন্যতম কারণ। বিশালাকার অ্যাকোয়ারিয়ামে ঘুরতো সুন্দরীরা। তাদেরকে দেখে বোঝার উপায় নেই যে তারা মৎস্যকন্যার বেশ ধারণ করে আছে। এই বিশেষ অনুষ্ঠান দেখতে ছুটে আসতো হাজার পর্যটক। ১৯৪৭-এর ১৩ অক্টোবরের পর থেকে টানা হয়ে চলেছে এই বিশেষ অনুষ্ঠান। অনেকেই জানেন যে মৎস্যকন্যা আসলেই বাস্তবে কোনো অস্তিত্ব রাখে না। কিন্তু এই সুন্দরীদের দেখতে ভিড় হতো সেখানে। তবে দুঃখের বিষয় যে এই বিশেষ শহরের আজ আর কোনো অস্তিত্ব নেই।

আরো পোস্ট-  এই রাজা খুঁজে বেড়াতেন লম্বা পুরুষ!

সেখানকার সরকার একটি বিশেষ বিল এনে বন্ধ করে দেন এই শহরের মিউনিসিপালিটি। হর্নেন্ডো কাউন্টির অন্তর্গত হয়েছে সেটি বর্তমানে। সেখানে জনসংখ্যা এতটাই কম যে সরকার বাধ্য হন তাকে অবরুদ্ধ করে দিতে। তবে এই শহর হারিয়ে গেলেও অনুষ্ঠান বন্ধ হয়নি। সেখানে মৎস্যকন্যারা এখনো ঘুরে বেড়ান। অনুষ্ঠানও হয় কিন্তু সেখানে ভিড়ের মাত্রা কম থাকে এখন। এই মৎস্যকন্যারা নারীদের মতোই কিন্তু তাদের শরীরের নীচের অংশ থাকে মাছের মতো। এমন রূপকথার আবিষ্কার যেন যুগে যুগে বেঁচে থাকে মানুষের নিখাদ বিনোদনের জন্যে। কল্পনাই হোক আর বাস্তব- অন্তত এই যান্ত্রিক সভ্যতার যুগে তারাই আসল আনন্দের খোরাক জোগাতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.