টরন্টো: এই মুহূর্তে বিশ্বজুড়ে সকলের কাছে চিন্তার একমাত্র কারণ নভেল করোনা ভাইরাস। কিভাবে মুক্তি পাওয়া যাবে এই ঘাতক ভাইরসের হাত থেকে টা নিয়েই এই মুহূর্তে লড়াই করে চলেছে বিশ্বের একাধিক দেশের বিজ্ঞানী থেকে শুরু করে প্রথম সারির গবেষকেরা। ইতিমধ্যে অনেকেই সুস্থ হয়ে গিয়েছেন এই ঘাতক ভাইরাসের হাত থেকে। কিন্তু তার পরেও বিশেষজ্ঞদের তরফে পাওয়া নয়া তথ্য কার্যত বাড়িয়ে দিল উদ্বেগ।

জানা গিয়েছে যে সকল মানুষ ইতিমধ্যে করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে গিয়েছেন তাদের মধ্যে অধিকাংশ ভুগছেন মানসিক সমস্যাতে। আর যা বাড়িয়ে তুলেছে বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ। অর্থাৎ এই ভাইরাসের জেরে শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে মানসিক সমস্যাও।

এই নয়া গবেষণাপত্র ইতিমধ্যে অনলাইন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে প্রায় ৪০২ জন প্রাপ্ত বয়স্ককে নিয়ে এই পরীক্ষা করা হচ্ছিল। আর তাদের মধ্যে ৫৫ শতাংশের মধ্যে মানসিক সমস্যা দেখা গিয়েছে। অ্যাংজাইটি থেকে শুরু করে একাধিক মানসিক সমস্যাতে ভুগছেন সেই সকল মানুষজন। এক রোগীর তরফে জানা গিয়েছে, চিকিৎসা চলাকালীন তিনি বারবার আক্রান্ত হতেন প্যানিক অ্যাটাকে।

যার জেরে বারবার তাঁর মনে হত তিনি মারা যাবেন। যা উদ্বেগ বাড়িয়েছে বিশেষজ্ঞদের। করোনা ভাইরাসের কারণে শুরু হওয়া চিকিৎসাতে এই মুহূর্তে সবার আগে প্রয়োজন মানসিক ভাবে সুস্থ থাকা। বিশেষজ্ঞরা বারবার বলছেন মানসিক সুস্থটা এই মুহূর্তে সবার আগে প্রয়োজন। তাহলে সহজেই হারানো যাবে এই রোগকে।

তিনি আরও জানিয়েছিলেন এই প্যানেকের জেরে তিনি অনেক ক্ষণ ধরে ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতেন যাতে তিনি বিসুদ্ধ বাতাস নিতে পারেন। করোনার থেকেও এই মুহূর্তে সেই কারণে মনে হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে মানসিক সমস্যা।

গবেষকরা জানাচ্ছেন করোনা আক্রাতদের শারীরিক চিকিৎসার পাশপাশি মানসিক চিকিতসার সমান ভাবে প্রয়োজন। যাতে মানসিক ভাবেও তারা সুস্থ থাকতে পারেন। তাহলে তাদের কাছে এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করা আরও সহজ হয়ে দাঁড়াবে। অর্থাৎ সঠিক ভাবে চিকিৎসা না হলে করোনা থেকে সুস্থ হলেও রোগীরা আক্রান্ত হতে পারেন যে কোন ধরনের মানসিক সমস্যাতে। যা তাদের আরও সমস্যার মধ্যে ফেলতে পারে বলে অনুমান করছেন বিশেষজ্ঞরা।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা