নিউ ইয়র্ক: মাসের ‘ওই সময়’টা প্রত্য়েক মেয়ের কাছেই আতঙ্কের। শুধু তো ঋতুস্রাব নয়, পেটের ব্যথাতেও সুষ্ঠভাবে থাকা দায়। ফলে কাজে মন বসে না। শরীর অসুস্থ থাকলে কারই বা ভালো লাগে? অনেক পুরুষই এই সময় মহিলাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয় না। মনে করে মহিলারা সুবিধা নিচ্ছে। কিন্তু তা নয় একেবারেই। সম্প্রতি কয়েকজন যুবক তো মহিলাদের ঋতুকালীন যন্ত্রণা বুঝতে তো সরাসরি এক চ্যালেঞ্জই নিয়ে বসলেন।

সম্প্রতি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা গিয়েছে কয়েকজন যুবতী মিলে ছেলেদের ‘পিরিয়ড ক্র্যাম্প স্টিমুলেটর’ ব্য়বহার করতে চ্যালেঞ্জ করছে। ছেলেরাও পিছপা হবে কেন? অতএব পিছিয়ে আসেনি তারাও। নিশ্চিন্তে তারা চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত হয়ে গিয়েছে। কিন্তু যন্ত্র চালু করার পরই দেখ দিল গন্ডগোল। যন্ত্রণায় কেউ উল্টে পড়ে গেলেন। কেউ আবার কাতরাতে লাগলেন। অথচ ওই একই যন্ত্র লাগিয়ে একাধিক যুবতী সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। যেন কিছুই হয়নি। মাসিকের প্রথম দিনগুলোতে যে ধরনের যন্ত্রণা একটা মেয়েকে পোহাতে হয় এই যন্ত্র সেই যন্ত্রণাই দেয় কৃত্রিমভাবে। ভিডিওতে স্পষ্ট পুরুষরা যতই হামবড়িয়া ভাব করুক, আদতে মহিলাদের প্রতি মাসে যে ব্যথার সম্মুখীন হতে হয় তা তাদের সহ্য ক্ষমতার বাইরে। মাসিকের সময় মেয়েরা যে সুবিধা নেয় না, এই ভিডিও তারই প্রমাণ।

টুইটারে ভিডিওটি শেয়ার করেছেন ক্লারা জেফরি নামে এক মহিলা। ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। ২ লক্ষেরও বেশি মানুষ ভিডিওটি দেশেছেন। সাড়ে ৩ হাজারেরও বেশি রিটুইট হয়েছে। লাইকের সংখ্যা ১২ হাজার ছুঁই ছুঁই। কমেন্ট সেকশনে তো বক্তব্যের বন্যা। মহিলারা যে গোটা ব্যাপারটায় বেশ মজা পেয়েছেন কমেন্টগুলো পড়লেই বোঝা যায়। কেউ কেউ তো আকর্ষণীয় প্রস্তাবও দিয়েছেন। ক্লারা জেফরি জানিয়েছেন, মাসিকের যন্ত্রণা তো উপলব্ধি করা হল। এবার কি পুরুষদের ‘সন্তান প্রসব’ আর ‘মেনোপজ’ স্টিমুলেটর দেওয়া যায়?

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.