ওসলো: একদিনে ১৯ টি দেশে ভ্রমণ৷ ভাবা যায়! এমনই অবিশ্বাস্য কাজ করে নয়া বিশ্ব রেকর্ড তৈরি করলেন নরওয়ের তিন বাসিন্দা৷ উল্লেখ্য, এর আগে ২৪ ঘন্টায় ১৭টি দেশ ভ্রমণের রেকর্ড ছিল। নয়া ইতিহাসটি তৈরি করলেন নরওয়ের গুনার গার্ফোর্স (৩৯), তে ইয়াং পাক(৪২) এবং ওয়েভিন্দ জুপভিক(৩৮)।

ভ্রমণবিলাসী, নয়া ইতিহাস সৃষ্টিকারী এই ব্যক্তিরা শনিবার মধ্যরাতে তাঁদের অভিযান শুরু করেন গ্রিস ও বুলগেরিয়ার সীমান্ত থেকে। তারপর ২৪ঘন্টার মধ্যে তাঁরা ম্যাসিডোনিয়া, কসোভো, সার্বিয়া, ক্রোয়েশিয়া, বসনিয়া, স্লোভেনিয়া, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া, চেক রিপাবলিক, জার্মানি, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, ফ্রান্স এবং সুইত্জারল্যান্ড ভ্রমণ শেষে    তাঁদের অভিযান শেষ হয় রবিবার রাতে লিচটেনস্টেইনে।

১৯টি দেশে ভ্রমণের সময় তেমন কোনও অসুবিধাতেও পড়েন নি তাঁরা৷  শুধুমাত্র তাঁরা সুইত্জারল্যান্ডে প্রাকৃতিক দূর্যোগে পড়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে৷ ঝড়-বৃষ্টিতে ফেঁসে গিয়েও তাঁরা কিন্তু তাদের অভিযান বন্ধ করেন নি, দূর্যোগ মোকাবিলা করে এগিয়ে গিয়েছিলেন সামনের দিকে৷ আর একটা ছোট্ট সমস্যা হয়েছিল গ্রিসে৷ ভাড়ার গাড়ি নিয়ে ছোট্ট ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছিলেন গাড়ির মালিক পক্ষের সঙ্গে৷

দলের মধ্যে ওয়েভিন্দ একজন অসাধারণ চালক বলে জানিয়েছেন তাঁর সহকর্মীরা৷ আর খাওয়া দাওয়া নিয়েও নাকি সব ভাবনাই ভাবতেন তিনি। যদিও খাবার খাওয়ার জন্য দলটির কোথাও থামার সময়ই ছিল না। তাঁরা রাস্তায় শুধু মিষ্টি, স্যান্ডউইচ, নুন আর এনার্জি ড্রিঙ্কস খেয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওয়েভিন্দ জুপভিক৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।