স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: পেঁয়াজ নিয়ে দেশ জুড়ে চলছে জোর চর্চা। তবুও দামে কমতি নেই নিত্য প্রয়োজনীয় এই আনাজটির। দামে সেঞ্চুরি হাঁকার পর থেকেই বাজারে গিয়ে অনেকেই মুখ ঘুরিয়েছে পেঁয়াজ দেখে। পেঁয়াজ জোগান দিতে গড়িমসি অবস্থা যখন কেন্দ্রের, তখন বাংলার এক জেলায় সস্তা দরে পেঁয়াজ কিনতে রাত থেকে লাইন পড়ল উদগ্রীব ক্রেতাদের।

এখনও খুচরো বাজারে পেঁয়াজের দাম একশোর উপরে। তারই মাঝে মঙ্গলবার বিকেলে জলপাইগুড়ি জেলার একটি বাজারে হঠাৎ করে চাউর হয়, ষাট টাকা কিলো দরে পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে সুফল বাংলার স্টলে। জানা গিয়েছে, সস্তা দরে পেঁয়াজ বিক্রির এই খবর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়তেই, মুহূর্তের মধ্যে লম্বা লাইন পড়ে যায় সুফল বাংলার স্টলে।

সূত্রের খবর, দাম খানিকটা কমলেও এখনও পর্যন্ত সেঞ্চুরি পার করে আছে পেঁয়াজ। জলপাইগুড়ির বাজারে বুধবার সকালেও একশো থেকে একশো টাকা কিলো দড়ে বিক্রি হয়েছে পেঁয়াজ।

এদিকে মঙ্গলবার বিকেল নাগাদ শহরে হঠাৎ চাউর হয় ষাট টাকা কিলো দরে পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে সুফল বাংলার স্টলে। জানা গিয়েছ, এত সস্তাই পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে খবর শুনে অফিস ফেরত মানুষজন লাইন দেয় দোকানে।

খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিকেল চারটে থেকে লাইন শুরু হয়। সন্ধ্যা ৫.৩০ নাগাদ স্টল থেকে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু হয়। তবে এদিন জনপ্রতি পাঁচশো গ্রাম করে পেঁয়াজ দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।

স্থানীয় ব্যাবসায়ী শ্যামল রায় জানান, পেঁয়াজের দাম একটু কমেছে। মঙ্গলবার রাতে বাজারে একশো টাকা কিলো দড়ে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। দাম চড়া থাকায় লোকে খুব কম পরিমানে পেঁয়াজ কিনছেন বলেও জানান তিনি।

জলপাইগুড়ি শহর থেকে পনেরো কিলোমিটার দূরে থাকেন বাবলু রায়। একটু কম দামে পেঁয়াজ কিনতে তিনিও হাজির হয়েছেন এই স্টলে। তিনি জানান এটা খুব ভালো উদ্যোগ। তিনি আরও বলেন, লম্বা লাইনে এক ঘন্টার বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। ১২৫ জনকে পেয়াজ দেবে।

জলপাইগুড়ি শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে থাকেন বাবলু রায়। কম দামে পেঁয়াজ কিনতে তিনিও হাজির হয়েছেন। রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘লম্বা লাইনে একঘন্টারও বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়ে আছি। শুনলাম ১২৫ জনকে পেঁয়াজ দেওয়া হবে।’

এদিকে পাঁচশো গ্রাম পেঁয়াজ হাতে পেয়ে মহাখুশি জলপাইগুড়ির তেলি পাড়া এলাকার বাসিন্দা রতন ঘোষ। তিনি জানান, খুব ভালো উদ্যোগ। আর একটু বেশি পরিমান পেলে উপকার হত।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও