স্টাফ রিপোর্টার, বালুরঘাট: স্মারক উদ্বোধনকে ঘিরে উন্মাদনা গঙ্গারামপুরে। শহরের চৌমাথা মোড়ে নির্মিত গঙ্গারামপুর পুরসভার রজত জয়ন্তী বর্ষের স্মারক উন্মোচিত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সাধের বিশ্ব বাংলা অনুকরণে এই স্মারক তৈরি করা হয়েছে। সেটির উদ্বোধনের দিনক্ষণ কবে তা নিয়ে শুধু গঙ্গারামপুরেই নয় দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার অন্যান্য এলাকার মানুষের মধ্যেও চরম উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছিল।

৫১২ নং জাতীয় সড়কে চৌমাথা মোড়ের উপর নির্মিত স্মারকে রয়েছে অত্যাধুনিক ফোয়ারা ও চতুষ্কোণ ঘড়ি সহ বিশ্ব বাংলার লোগোও। সুদৃশ্য এই স্মারকটির পাশ দিয়েই সদর শহর বালুরঘাট হিলি কুমারগঞ্জ ও তপন সহ জেলার সমস্ত এলাকার মানুষ জাতীয় সড়ক ধরে যাতায়াত করবেন। এমনকি মালদহ রায়গঞ্জ শিলিগুড়ি কলকাতা সহ বাইরে থেকে এই জেলা সদর বালুরঘাটে প্রবেশের পথে সবার আগে রজত জয়ন্তী বর্ষের স্মারকের সৌন্দর্য উপভোগ করবেন।

শনিবার সন্ধ্যায় স্মারকটি উদ্বোধন করেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদের ভাইস-চেয়ারম্যান বিপ্লব মিত্র। অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ অর্পিতা ঘোষ, জেলা পরিষদের সভাধিপতি লিপিকা রায়, জেলাশাসক ডাঃ দীপপ প্রিয়া, পালরাজ পুলিশ সুপার প্রসূন বন্দোপাধ্যায়।

এদিন সাংসদ অর্পিতা ঘোষ জানিয়েছেন, সরকারিভাবে ঘোষণা না হলেও গঙ্গারামপুর পুরসভা ইতিমধ্যেই এলাকার মানুষ কাজের নিরিখে মডেল পুরসভা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে দিয়েছেন। শুধু মডেল পুরসভাই নয়৷ যেভাবে একের পর এক উন্নয়ন মূলক কাজ চলছে। খুব শীঘ্রই গঙ্গারামপুর পুরসভা উত্তরবঙ্গের মধ্যে সেরার স্বীকৃতি আদায় করে নেবে।

পুলিশ সুপার প্রসূন বন্দোপাধ্যায় জানিয়েছেন, চৌমাথা মোড়ের উপর প্রতিষ্ঠিত স্মারকটি অত্যন্ত দৃষ্টি নন্দন হয়েছে। যা শুধু গঙ্গারামপুরেরই নয় সমগ্র দক্ষিণ দিনাজপুরের পরিচিতির প্রতীক হিসেবে পরিণত হবে। ইতিহাসে গঙ্গারামপুরের সমৃদ্ধ জনপদের উল্লেখ রয়েছে।

পুরসভার চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্র জানিয়েছেন, পুরসভার পঁচিশ বছর আগে গঠিত হলেও তাঁদের বোর্ডের বয়স মাত্র সাড়ে তিন বছর। এই অল্পকালে একের পর এক উন্নয়ন যজ্ঞ তাঁরা চালিয়ে যাচ্ছেন। মানুষের আশীর্বাদ ও ২৫ বছরের প্রতীক হিসেবেই স্মারকটি গড়ে তোলা হয়েছে। শুধু স্মারকই নয় রাস্তাঘাট নিকাশি ব্যবস্থার পাশাপাশি শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্য কাল দিঘির চার পাশে ট্রয়ট্রেন৷ মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবায় উন্নতমানের মাতৃসদন নির্মাণের কাজও চলছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।