মুম্বই: বলিউডের মোরানি পরিবারের তিন জনেই করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। এখন তিন জনই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। আর তাই এবার করোনার চিকিৎসার সাহায্যার্থে তিনজনই প্লাজমা বা রক্ত দান করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ সেরে ওঠা রোগীদের প্লাজমাই অন্য রোগীদের সেরে উঠতে সাহায্য করবে।

করোনা ভাইরাসের ভ্য়াকসিন এখনও তৈরি হবে। এর জন্য প্রাণপাত করে গবেষণা করছেন বিশ্বের বিজ্ঞানীরা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়নি। তবুও সুস্থ হচ্ছে বহু মানুষ। একমাত্র কোভিড ১৯ থেকে সেরে ওঠা রোগীদের রক্তই সাহায্য করতে পারে আর এক রোগীকে। কোভিড ১৯ থেকে সেরে ওঠার ১৪ দিন পরেও যদি তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ আসে তাহলে বুঝতে হবে যে তাঁর শরীরে তৈরি হয়েছে অ্যান্টিবডি। আর তাই তাঁদের শরীরের রক্তই এখন বাঁচাবে অন্য আর এক আক্রান্তকে।

মোরানি পরিবারও ঠিক করেছে তারা রক্ত দেবে। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কাছে সাক্ষাৎকারে জোয়া মোরানি বলেছেন, সব ঠিকঠাক থাকলে এই সপ্তাহের শেষের দিকেই তাঁর রক্ত দেবেন। জোয়া ও সাজা বেশ কিছুদিন হলো বাড়ি ফিরেছেন। আর কয়েকদিনের মধ্যেই তাঁদের হোম কোয়ারেন্টাইন শেষ হবে। আর সম্প্রতি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন করিম মোরানি। তিনিও বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন ১৪ দিন। ১৪ দিন পরে রিপোর্ট ফের নেগেটিভ এলে তিনিও রক্ত দেবেন।

প্রসঙ্গত, রাজস্থান থেকে ফিরেছিলেন জোয়া। সেখানে ছবির শ্যুটিং চলছিল। সেখান থেকে ফেরার পরে কোভিড ১৯-এর বেশ কিছু উপসর্গ ছিল তাঁর মধ্যে। কিন্তু প্রথমে সোয়াব পরীক্ষা করলে রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। দ্বিতীয় বার ফের পরীক্ষা হয়। সেই রিপোর্টের ফলাফলই পজিটিভ আসে। অন্যদিকে সাজা মার্চের প্রথম সপ্তাহে শ্রীলঙ্কা থেকে ফেরেন। সাজা শ্রীলঙ্কা থেকে ফিরলেও তেমন কোনও উপসর্গ ছিল না। কিন্তু পরীক্ষা করলে তাঁর কোভিড ১৯ ধরা পড়ে।

এর পরেই করিম মোরানিরও পজিটিভ রিপোর্ট আসে। আশঙ্কা করা হয় দুই মেয়ে সাজা অথবা জোয়ার থেকে সংক্রামিত হয়েছেন প্রযোজক।মুম্বইয়ের অশোক নগর এলাকায় থাকেন মোরানি পরিবার। অবশেষে তিনজনেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও