ফাইল ছবি

ক্যানবেরা: বিশ্বজুড়ে এই মুহূর্তে চলছে করোনা আতঙ্ক। যার থেকে বাদ যায়নি অস্ট্রেলিয়াও। কিছুদিন আগেই অস্ট্রেলিয়ার বেশ কয়েকটি জায়গাতে ফের প্রশাসনের তরফে জারি হয়েছিল নিষেধাজ্ঞা, চলছিল লকডাউন। কিন্তু তার মধ্যে এবারে অস্ট্রেলিয়ার বেশ কিছু জায়গা সাক্ষী থাকল তুষারপাতের। অস্ট্রেলিয়ার বেশ কয়েকটি জায়গা, যার মধ্যে রয়েচে মেলবোর্ন, ভিক্টোরিয়া সহ বেশ কিছু শহর, সেই শহরগুলি ঢেকে গেল সাদা তুষারে।

পরিবেশ বিশারদদের তরফে জানানো হয়েছে আন্টার্টিকার ঠাণ্ডা বাতাস ভিক্টোরিয়া তাসমানিয়া সহ বেশ কয়েকটি জায়গার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার জন্য এই তুষারপাত হয়েছে। সেখানকার আবহাওয়া দফতরের তরফে বেশ কিছু ছবি ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে আপলোড করা হয়েছে। যা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।

এই মুহূর্তে কার্যত গোটা বিশ্ব ঘরবন্দি। নিয়ম নেই প্রয়োজনের বাইরে ঘরের বাইরে পা রাখার। কিন্তু তার মধ্যেও এই ছবি দেখে খুশি হয়েছেন অনেকেই। দীর্ঘ ঘরে থাকার ফলে হওয়া অবসাদ কিছুটা হলেও কেটেছে এই ছবি দেখে।

পাশপাশি হার্বাট এলাকা থেকে ভিডিও রেকর্ড করে তা আপলোড করা হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরাই নন একাধিক মানুষজন আপলোড করেছেন এই ছবি। যা দেখে খুশি হয়েছেন অনেকেই।

আবহাওয়া দফতরের তরফে জানা গিয়েছে মঙ্গলবার থেকেই অস্ট্রেলিয়ার বেশ কিছু জায়গার তাপমাত্রা কমে গিয়েছিল উল্লেখযোগ্য ভাবে। আর তারপরেই শুরু হয়েছিল এই তুষারপাত। এই তাপমাত্রা দেখা গিয়েছিল শেষবার ১৯৯৬ সালে। তবে করোনা অতিমারীর মধ্যেই এই ঘটনার জেরে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছেন মানুষজন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।