মেখলিগঞ্জ: এক নাবালিকাকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ উঠল এক ট্রাক চালকের বিরুদ্ধে। কোচবিহারের রানিরহাটের বোকনাবান্ধা এলাকার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মেখলিগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ পেয়েই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। শেষমেশ পুলিশি তৎপরতায় অপহরণের ৫ ঘণ্টার মাথায় ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে পুলিশ।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকার বাড়ির কাছেই একটি দোকান রয়েছে। সোমবার রাতে দোকানে কিছু জিনিস কিনতে গিয়েছিল ওই তরুণী। সেই সময় পাশের রাস্তা দিয়েই একটি ট্রাক যাচ্ছিল। তরুণীকে একা দেখে তার কাছে গিয়ে দাঁড়ায় ট্রাকটি। গাড়ি থেকে নেমে জোর করে তরুণীকে ধরে ট্রাকে তুলে নেয় চালক। এরপর দ্রুত গতিতে ট্রাক নিয়ে পালিয়ে যায় চালক।

এদিকে, তরুণীকে অপহরণের খবর পৌঁছোয় মেখলিগঞ্জ থানায়। খবর পেয়েই তরুণীকে উদ্ধারে সচেষ্ট হয় পুলিশ। রাতেই শুরু হয় তল্লাশি। সতর্ক করে দেওয়া হয় আশপাশের এলাকার থানাগুলিকে। কয়েক ঘণ্টা ধরে খোঁজ করার পরেও প্রথমে নাবালিকার হদিশ মেলেনি।

খোঁজ মেলেনি ট্রাকচালকেরও। পার্শ্ববর্তী ধূপগুড়ি, মাদারিহাট-সহ বিভিন্ন থানার পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশ আধিকারিকরা। শেষমেশ ভোররাতে মাদারিহাটের একটি পেট্রোল পাম্পের কাছে নাবালিকাকে উদ্ধার করে মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশ। তবে অভিযুক্ত ট্রাক চালককে এখনও গ্রেফতার করা যায়নি। অভিযুক্ত চালকের খোঁজে জেলা জুড়ে শুরু হয়েছে তল্লাশি।

কোচবিহার থেকে বেরোনর পথে নজরদারি বাড়িয়েছে পুলিশ। এদিকে, উদ্ধারের পর নাবালিকাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তরুণীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অপহরণকারী সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

তদন্তের করে দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার আশ্বাস দিয়েছেন মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশকর্মীরা। অন্যদিকে, এভাবে নাবালিকাকে অপহরণের চেষ্টার ঘটনায় উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী। এলাকায় পুলিশি নজরদারি আরও বাডানোর দাবি জানিয়েছেন বাসিন্দারা। বিশেষত রাতের রাস্তায় পুলিশি টহল বাড়ানোর দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।