কলকাতা২৪x৭: ইতিহাস ছোঁয়ার সুযোগটা অধরাই রয়ে গেল এটিকে মোহনবাগানের। মুম্বই সিটি এফসি’র বিরুদ্ধে সুবিধেজনক অবস্থায় শুরু করেও রবিবাসরীয় গোয়ায় আন্তোনিও হাবাসের দলের এক স্বপ্নের অপমৃত্যু ঘটল। সার্জিও লোবেরার কাছে মগজাস্ত্রের লড়াইয়ে ফের পিছিয়ে পড়লেন আইএসএলের চাণক্য। হাইভোল্টেজ ম্যাচে কোথায় হারলেন রয় কৃষ্ণারা। আইএসএলের প্রাক্তন তারকা তথা ভারতীয় ফুটবলের ‘মিডফিল্ড জেনারেল’ মেহতাব হোসেন কিন্তু হাবাসের রণনীতিকেই খানিকটা হলেও দায়ী করছেন এই ফলাফলের জন্য।

এমন একটা সম্ভাবনাই আশঙ্কা করছিলেন বলে কলকাতা২৪x৭’কে জানালেন বাগানের প্রাক্তনী। মেহতাবের কথায়, ‘মুম্বই যে শুরু থেকে আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়বে সেটা জানাই ছিল। আর সে কারণেই চেয়েছিলাম হাবাস দলকে স্বাভাবিক ছন্দে খেলাক। কিন্তু উনি শুরু থেকে প্রণয়, ম্যাকহিউ, লেনি তিনজন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারকে নামিয়ে কিছুটা রক্ষণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে নিয়েছিলেন। আমার মতে এই রক্ষণাত্মক মানসিকতাই হাইভোল্টেজ ম্যাচে ডোবাল এটিকে-মোহনবাগানকে।’

শুরুর দিকেই সন্দেশ ঝিঙ্গানের চোট পেয়ে মাঠ ছাড়া কতটা প্রভাব ফেলেছে? উত্তরে মেহতাব বলেন, ‘এটিকে মোহনবাগান গোলদু’টো হজম করেছে সেটপিস থেকে। সুতরাং, ঝিঙ্গান উঠে যাওয়ায় যে রক্ষণ ফেল করেছে বিষয়টা তেমন নয়। তবে ওই শুরু থেকে রক্ষণাত্মক মানসিকতাটা কিছুটা হলেও প্রভাব ফেলল ম্যাচে।’ তবে এসিএল বা লিগ শিল্ড জয়ের স্বপ্ন অধরা থাকলেও এই হার প্লে-অফে সবুজ-মেরুন ফুটবলারদের উপর প্রভাব ফেলবে না বলেই মত মেহতাবের।

তাঁর কথায়, ‘মনে হয় না এই হার প্লে-অফে বিশেষ প্রভাব ফেলবে বলে। প্রত্যেকেই পেশাদার। হাতে কয়েকটা দিন সময় রয়েছে। ফুটবলাররা সেই মানসিকতা তৈরি করে নেবে।’ একইসঙ্গে মুম্বই এবং এটিকে-মোহনবাগান কিছুটা এগিয়ে থেকে লিগ শেষ করলেও সেমিফাইনাল ‘ডিফারেন্ট বল গেম’, কোনও ফেভারিট নেই সেখানে। মনে করেন মেহতাব। আইএসএলে কেরালা ব্লাস্টার্স, জামশেদপুরের হয়ে খেলা প্রাক্তন ফুটবলার বলেন, ‘আমায় তো চারটে দলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ইম্প্রেস করেছে নর্থ-ইস্ট। ওরা তো মুম্বইকে দু’টো লেগেই হারিয়েছে।’ সবমিলিয়ে হাড্ডাহাড্ডি সেমিফাইনালের আশায় জাতীয় দলের প্রাক্তন ফুটবলার।

শেষে মুম্বইয়ের এই সাফল্যের পিছনে কোচ সার্জিও লোবেরার অবদানকে কুর্নিশ জানাতে ভোলেননি মেহতাব। টানা দু’বার দু’টো ভিন্ন দলকে কোচিং করিয়ে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তোলা মুখের কথা নয়, জানান মেহতাব। একইসঙ্গে বিপিন সিং, ভিগনেশ দক্ষিণামূর্তি, অময় রানাওয়াডের মত ফুটবলারদের তুলে আনার ক্ষেত্রে লোবেরার ভূয়সী প্রশংসা করেন মেহতাব।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।