নয়াদিল্লি : জম্মু কাশ্মীরের পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি ও ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ফারুক আবদুল্লার মতো মানুষদের ভারতে থাকার কোনও অধিকার নেই। এমনই মন্তব্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীর। তিনি বলেন কাশ্মীরের এই সব নেতা নেত্রীরা দেশবিরোধী কথা বলে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছেন।

এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন কাশ্মীরের এক নেতা বলছেন উপত্যকায় ৩৭০ ধারা ফেরাতে তিনি চিনের সাহায্য নেবেন। এক নেত্রী বলছেন জাতীয় পতাকাকে তিনি সম্মান করবেন না। এঁরা ভারতের কোন রূপ আন্তর্জাতিক মহলের সামনে তুলে ধরছেন। দেশের ভাবমূর্তি যাঁরা নষ্ট করে, তাঁদের এই দেশে থাকার কোনও অধিকার নেই।

দিন কয়েক আগেই বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি। তিনি বলেন ‘‘যতদিন কাশ্মীরের জন্য নির্ধারিত পতাকা না ফেরানো হবে ততদিন দেশের জাতীয় পতাকাকেও সম্মান দেখানো সম্ভব নয়। আমাদের পতাকা ফিরিয়ে দেওয়া হলে ফের আমরা জাতীয় পতাকা হাতে তুলে নেব।’’

কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা ফেরানোর দাবিতে উপত্যকার বিজেপি বিরোধী জোটে রয়েছে তাঁর দল পিডিপি। বিরোধীদের এই জোটের নেতৃত্বে রয়েছেন জম্মু কশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ন্যাশনাল কনফারেন্স সুপ্রিমো ফারুক আবদুল্লা। এদিকে, গৃহবন্দি দশা থেকে মুক্তি মেলার পর প্রথম সাংবাদিক বৈঠকেই বিজেপিকে তুলোধনা করেছেন পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি।স্বাভাবিকভাবেই তাঁর এই মন্তব্যে দেশ জুড়ে ক্ষোভ তৈরি হয়।

সদ্য একটানা ১৪ মাসের গৃহবন্দি দশা থেকে মুক্ত হয়েছেন জম্মু কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি। কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বতিলের পর থেকে তাঁকে গৃহবন্দি করেছিল মোদী সরকার। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে গৃহবন্দি ছিলেন মেহবুবা মুফতি।

গৃহবন্দী দশা থেকে মুক্তি পেয়েই মুফতির এই ধরণের বক্তব্যকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার নজরেই দেখছে কেন্দ্র। বিজেপির দাবি তাঁকে ফের গৃহবন্দী করা হোক। জম্মু কাশ্মীরের বিজেপি সভাপতি রবীন্দ্র রায়না জানান লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা দরকার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।