লন্ডন: মা হতে চলেছেন ডাচেস অব সাসেক্স মেগান মর্কেল, সোমবার কেনসিংটন প্যালেস ট্যুইট করে এই খুশির খবর দেয়৷ ইংল্যান্ডের উইন্ডসোর ক্যাসলে প্রিন্স হ্যারি এবং মেগান মর্কেলের বিয়ের পাঁচ মাস পরে এই খুশির খবরে ফের একবার অন্যরকম আনন্দের আবহ রয়্যাল ফ্যামিলিতে৷ অস্ট্রেলিয়া এবং সাউথ প্যাসিফিক থেকে ফিরে সোমবার সিডনিতে নেমেছেন হ্যারি-মেগান৷

গত মে মাসে ব্রিটিশ যুবরাজ হ্যারি ও মার্কিন অভিনেত্রী মেগান মর্কেলের বিয়ে নিয়ে উন্মাদনার শেষ ছিল না৷ গোটা লন্ডন সেজে উঠেছিল৷ সেন্ট জর্জ চ্যাপেলে রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ ও অভিজাত ৬০০ অতিথির উপস্থিতিতে বিয়ের বন্ধনে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। তাঁদের নতুন পরিচয় হয় ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্স৷

ব্রিটিশ ডিজাইনার ক্লেয়ার ওয়েইট কেলারের ডিজাইন করা সাদা ধবধবে পোশাকে গির্জায় হাজির হন মেগান মার্কেল। আগে থেকেই সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রিন্স হ্যারি এবং তাঁর ভাই ও বেস্ট ম্যান প্রিন্স উইলিয়াম। মেগানের বিয়ের পোশাক ধরে ছিলেন প্রিন্স উইলিয়ামের ছেলে প্রিন্স জর্জ। হবু শ্বশুর প্রিন্স চার্লসের হাত ধরে বিয়ের মঞ্চে আসেন মেগান।

ছোট নাতির বিয়েতে ছিলেন ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। একটি ছাদখোলা গাড়িতে স্বামী প্রিন্স ফিলিপের সঙ্গে করে গির্জায় হাজির হন রানি। অন্যদিকে, মায়ের সঙ্গে গাড়িতে করে চার্চের উদ্দেশ্যে রওনা দেন পাত্রী। সে সময় তারা রাস্তায় দুপাশে থাকা ভিড়ের উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।

 

বিয়ের অনুষ্ঠানে অতিথিদের তালিকায় কে না ছিলেন৷ উপস্থিত ছিলেন আমেরিকান টক-শো হোস্ট অপরা উইনফ্রে, অভিনেতা জর্জ ক্লুনি ও তাঁর স্ত্রী আমাল, ফুটবল তারকা ডেভিড বেকহ্যাম ও তাঁর স্ত্রী ভিক্টোরিয়া, টেনিস তারকা সেরেনা উইলিয়ামস এবং গায়ক এল্টন জন। ছিলেন বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া৷ এই বিয়ে উপলক্ষে লক্ষাধিক মানুষ উইন্ডসরে হাজির হন। আর সেই খুশির রেশ থাকতে থাকতেই ফের একবার রাজপরিবারে আনন্দের সমাবেশ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.