ওয়াশিংটন: ব্রিটিশ রাজ পরিবার থেকে চিরতরে বেরিয়ে এসেছেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মর্কেল। কিছুদিন আগে বাকিংহাম প্যালেসের তরফে তা ঘোষণা করা হয়েছে। আর তার পরই রাজ মহলের অন্দরে নিজের জীবন কাহিনি নিয়ে মুখ খুললেন মেগান। বললেন, এক এক সময় তাঁর মনে হত নিজেকে শেষ করে দেন।

সম্প্রতি একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকার দিয়েছেন মেগান মর্কেল। সেখানেই তিনি বিস্ফোরক এই স্বীকারোক্তি করেছেন। মেগান বলেছেন, তিনি যখন পাঁচ মাসের গর্ভবতী তখন তাঁর মনে আত্মহত্যার কথা আসত। তাঁর সন্তানের গায়ের রং কেমন হবে তা নিয়ে চর্চা চলত বাকিংহাম প্যালেসে। তাঁদের সন্তান মেগানের মতো শ্যামলা হবে না কি হ্যারির মতো গায়ের রং পাবে তা নিয়ে আলোচনা চলত। মেগানের অভিযোগ, সেই পরিস্থিতিতে পাশে দাঁড়ায়নি রাজ পরিবারের কেউ। তখন মেগানের বেঁচে থাকার ইচ্ছা চলে গিয়েছিল। আত্মহত্যার কথা ভাবতেন তিনি।

এখানেই শেষ নয়। ব্রিটিশ রাজ পরিবারের বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন মেগান। তিনি বলেছেন, ২০১৮ সালে তিনি একবার হ্যারিকে না জানিয়ে রয়াল অ্যালবার্ট হলে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। সেখানে কনসার্ট হলে তিনি কেঁদে ফেলেছিলেন। পরে লাইট জ্বলার পর ফটোগ্রাফারদের সামনে হাসিমুখে পোজ দেন। মেগান এও বলেছেন, রাজ পরিবারের অংশ হওয়ার পর থেকে তাঁর চাবি, ড্রাইভারের লাইসেন্স এবং পাসপোর্ট জমা রাখতে হয়েছিল। তিনি প্রাসাদে উবেরও ডাকতে পারতেন না।

গত বছরই লন্ডন থেকে আমেরিকায় চলে আসেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মর্কেল। ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম এই ঘটনাটিকে ‘মেক্সিট’ আখ্যা দেয়। হ্যারি ও মেগান তখন জানিয়েছিলেন রাজ পরিবারের বাঁধাধরা নিয়মের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পারছেন না তাঁরা। সাধারণদের মতো স্বাধীন চলাফেরা করতেই এমন ঘোষণা করেছেন দুজন। আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হতে চাইছেন বলেও জানিয়েছিলেন তাঁরা। এও বলেছিলেন, রাজ পরিবারের সদস্য হিসেবে সারাক্ষণ গণমাধ্যমের নজরে থাকতে হয় বলে তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন কঠিন হয়ে যাচ্ছিল। তাই এমন ঘোষণা করেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।