কাবুল: এযেন কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা৷ দুনিয়াজুড়ে বাড়ছে মৌলবাদী জঙ্গি সংগঠন আইসিস-এর প্রভাব৷ তালিবানের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় জোর দিচ্ছে পশ্চিমি দুনিয়া৷ তাদের দিয়েই আফগানে ইসলামিক স্টেটের ঘাঁটি ভাঙতে তৎপর ওয়াশিংটন ও মস্কো৷

বিশ্ব-শান্তি ও সুরক্ষা নিশ্চিৎ করতে ইতিমধ্যেই রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় তালিবানদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল রাশিয়া ও মার্কিন প্রতিনিধিরা৷ সেই বৈঠকের সুফল মিলতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আফগান প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই৷ কাজাখস্তানের জাতীয় টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘‘আফগানিস্তানে সুদূরপ্রসারী শান্তির লক্ষ্যে এই বৈঠক প্রথম পদক্ষেপ৷’’

আরও পড়ুন: ‘গান্ধী’র জিন্নার জীবনাবসান

চলতি মাসের ৯ই নভেন্বর মস্কোর তালিবান, আফগান সরকারের প্রতিনি ও মধ্যস্থাকারী দেশগুলির মধ্যে বৈঠক হয়৷ এর পরে কাতারে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে আরও এক বৈঠক হয় তালিবানদের৷ প্রেসিডেন্ট কারজাইয়ের আশা, ‘‘এই ধরনের বৈঠকেই গলবে বহু বছরের তিক্ততার বরফ৷’’

আরও পড়ুন: ৩৭০ ধারা বৈধ না অবৈধ! এপ্রিলেই শুনানি সুপ্রিম কোর্টে

আফগানিস্তানে শান্তি স্থাপনে মার্কিন দূত জালমে খালিলজাদ বর্তমানে আফগান প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে কথা চালাচ্ছেন৷ ৮-২০ নভেম্বরের মধ্যে তিনি পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাশাহী ও কাতারে গিয়েছেন৷ সব শেষে তিনি পৌঁছবেন আফগানিস্তানে৷ এই সফরকালে মার্কিন দূতের সঙ্গে দোহাতে বৈঠক হয় তালিবানদের৷

মস্কোর বৈঠকেই তালিবানরা স্পষ্ট করে, আফগানিস্তান থেকে বিদেশী সেনাবাহিনী সরলেই সে দেশে শান্তি ফিরবে৷ যার প্রবাব পড়বে ওই অঞ্চলে৷ বৈঠকে উপস্থিত আফগান উচ্চ শান্তি কমিটির সদস্য বলেন, ‘‘হিংসা কমলেই দেশে বিদেশী সেনা রাখান প্রয়োজন পড়বে না৷’’ এরপরই রাশিয়ার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জোর দেওয়া হয় তালিবান ও কাবুলের দ্বিপাক্ষিক আলোচনায়৷