দেবযানী সরকার, কলকাতা: দুর্গাপুজোর আগে শহরের বেহাল রাস্তা সারানোর উদ্যোগ নিল কলকাতা পুরসভা৷ শুক্রবার কলকাতা পুরসভার ১৬টি বরো ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে জরুরী বৈঠক করেন মেয়র পারিষদ(রাস্তা) রতন দে৷ প্রত্যেক ইঞ্জিনিয়ারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, মহানগরের বেহাল রাস্তা চিহ্নিত করে ৩০ অগাষ্টের মধ্যে তার তালিকা জমা দিতে৷ তারপরই রাস্তা মেরামতের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন রতন দে৷
গত কয়েকদিন আগে টানা বৃষ্টিতে শহরের বেহাল রাস্তার চিত্র ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে৷বেহালা, তপসিয়া, তিলজলা, ট্যাংরা, তারাতলা থেকে জোকা, বাইপাস সংলগ্ন রাস্তা, শিয়ালদা ফ্লাইওভারের মতো গুরুত্বপূর্ন ব্যস্ত রাস্তাগুলির অবস্থা বেশ খারাপ৷ এর মধ্যে বেশ কিছু এলাকা দুর্ঘটনাপ্রবণ হয়ে উঠেছে৷ দুর্গাপুজোর আগে সে সমস্ত রাস্তা ঝাঁ চকচকে করতে তৎপর পুরসভার রাস্তা বিভাগ৷ মেয়র পারিষদ(রাস্তা)রতন দে জানিয়েছেন, পুরসভার অধীনে থাকা প্রায় সমস্ত রাস্তার সারাইয়ের কাজই হয়ে গিয়েছে৷তবে কিছু রাস্তার হাল এখনও খারাপ আছে৷ পুজোর আগেই রাস্তা মেরামতির কাজ সম্পূর্ণ হবে বলে আশা করছেন তিনি৷ রতন দে বলেন, এর মধ্যে যদি আবার ভারী বৃষ্টি না হয়, তাহলে পুজোর আগেই রাস্তা মেরামতির কাজ সুষ্ঠুভাবেই সম্পূর্ণ করা যাবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.