নয়াদিল্লি: সুনন্দা পুষ্করের মৃত্যুর কারণ এবারও পরিষ্কার হল না। মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারন করতে না পারায় মেডিকেল বোর্ড দিল্লি পুলিশের হাতে তাঁর অসম্পূর্ণ মেডিকেল রিপোর্ট তুলে দিল।

কংগ্রেস নেতা শশী থারুরের স্ত্রী সুনন্দার মৃত্যুর কারণে কোনও ফয়সলা করতে না পারায়, দিল্লি পুলিশ মেডিকেল বোর্ডের হাতে FBI ও AIIMS এর তথ্য তুলে দিয়েছে।

এক পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন, “একমাস আগেই মেডিকেল বোর্ড এই রিপোর্ট তুলে দিয়েছে। কিন্তু তারা কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি। তাই আমরা আবার FBI ও AIIMS এর তথ্য খতিয়ে দেখতে বলেছি”।
সুনন্দা পুষ্করের মামলায় FBI ও AIIMS এর তথ্যকে বিষলেশন করার জন্য দিল্লি, চন্ডীগড় ও পুদুচেরির ডাক্তারদের নিয়ে মেডিকেল বোর্ড গড়া হয়েছে।

সুনন্দার ফোন থেকে ডিলিট হয়ে চ্যাট যাতে আবার উদ্ধার করা যায় দিল্লি পুলিশ এখনও সেই চেষ্টা চালাচ্ছে। সেপ্টেম্বরে এই মামলার রহস্য ফাঁস করতে দিল্লি পুলিশ আমেরিকাতেFBI এর ল্যাব থেকে সুনন্দার দেহের কিছু অংশের নমুনা নিয়ে যায়।

দিল্লি পুলিশ FBI ল্যাবের কাছে এই চূড়ান্ত পর্যবেক্ষণ সম্পর্কে জানতে চেয়েছে, যাতে সেই তথ্য মেডিকেল বোর্ডের সামনে পেশ করা যায়। গত বছর জানুয়ারিতে AIIMS এর ডাক্তারদের নিয়ে গড়া মেডিকেল বোর্ডের একটি রিপোর্ট জমা দেয়, যাতে বলা হয়ে ছিল যে সুনন্দার পেটের মধ্যে অ্যানজাইটি ড্রাগ পাওয়া গেছিল।

৫১ বছরের সুনন্দাকে ২০১৪-র ১৭ জানুয়ারি দক্ষিণ দিল্লির এক ফাইভ স্টার হোটেল থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাঁর আগের দিনই পাকিস্তানি সাংবাদিক মেহের তারার এর সঙ্গে সুনন্দার বচসা হয়েছিল। মৃত্যুর কারণ ও যোগ উদ্ধার করতে শশী থারুরকেও জেরা করা হয়। এছাড়া ৬ জন মূল সাক্ষীর পলিগ্রাফ পরীক্ষাও করা হয়।

ফেব্রুয়ারিতে, শশী থারুর ও সুনন্দার সঙ্গে কি সম্পর্ক আছে জানতে মেহের তারারকেও জেরা করা হয়েছিল। এছাড়া টুইটারে তাঁর সঙ্গে সুনন্দার বচসার সঙ্গে এই মৃত্যুর যোগ আছে কিনা তা নিয়ে তদন্ত চলে।

#Medical Board submitted an inconclusive report on Sunanda Pushkar’s death. No reason was cited behind the death. Police is now trying to recover deleted chats from Pushkar’s phone.

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.