স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: ব্রীজ এন্ড রুফ কোম্পানি বিলগ্নীকরণের চক্রান্ত আটকানো সম্ভব শ্রমিকদের আন্দোলনের মাধ্যমেই। হাওড়ায় এসে বললেন বাম সাংসদ মহঃ সেলিম৷ ব্রীজ এন্ড রুফের মতো লাভজনক একটি সংস্থাকে চক্রান্ত করে বিলগ্নীকরণ করতে চাইছে কেন্দ্রের মোদী সরকার৷ শ্রমিকদের আন্দোলনের মাধ্যমেই কেন্দ্রের এই হঠকারী সিদ্ধান্ত আটকানো সম্ভব হবে বলে মনে করেন বাম সাংসদ মহঃ সেলিম৷

সোমবার বিকেলে হাওড়ার ব্রীজ এন্ড রুফ কোম্পানির গেটে আয়োজিত ডিওয়াইএফআই এর এক যুব সমাবেশে যোগ দিয়ে শ্রমিকদের পাশে থাকা বার্তা দেন এই বাম নেতা৷ শ্রমিকদের অবস্থান বিক্ষোভের মঞ্চে ডিওয়াইএফআই এর প্রাক্তন সর্বভারতীয় সম্পাদক সেলিম এদিনের বক্তব্য, এভাবে আন্দোলন করেই বিলগ্নীকরণের চক্রান্ত আটকানো যাবে৷ যখন পতঞ্জলির কারখানা হৈ হৈ করে চলছে তখন বেঙ্গল কেমিক্যালস তুলে দেওয়া হচ্ছিল৷ সরকার বলছে এত কনস্ট্রাকশন হচ্ছে, এত বিকাশ হচ্ছে, এত উন্নয়ন হচ্ছে তখন ব্রীজ এন্ড রুফের মতো সংস্থা বিলগ্নীকরণ করা হচ্ছে কেন? যখন এটাকে বলা হচ্ছে লাভজনক সংস্থা তখন এর সমস্যা সমাধান করতে হবে৷

পাশাপাশি সেলিম ব্রীজ এন্ড রুফের মতো সংস্থাকে বাঁচিয়ে রাখার দাবি তোলেন৷ উল্লেখ্য, ব্রীজ এন্ড রুফ কোম্পানি বিক্রির চক্রান্ত বন্ধ করতে একযোগে আন্দোলনে নেমেছেন সিটু, আইএনটিইউসি,এইচএমএস সহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন। শ্রমিকদের এই আন্দোলনকে সংহতি জানিয়ে সোমবার বিকেলে ব্রীজ এন্ড রুফ কোম্পানির শ্রমিক গেটের সামনে এই যুব সমাবেশের আয়োজন করা হয়৷ ওই সমাবেশে মহঃ সেলিম ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডিওয়াইএফআই এর রাজ্য সম্পাদক সায়নদীপ মিত্র, রাজ্য রাজ্য সম্পাদক বিপ্লব বেরা, হাওড়া জেলায় দলের সভাপতি শৈলেন্দ্র রায়৷

কংগ্রেসের তরফে অবস্থান বিক্ষোভ মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অসিত মিত্র৷ আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, শতবর্ষ পুরনো হাওড়া জেলার ঐতিহ্যবাহী ব্রীজ এন্ড রুফ কোম্পানি কেন্দ্রের মোদি সরকার বিক্রি করে দিচ্ছে৷ সারা দেশে যখন বেকারত্ব বাড়ছে তখন হাওড়া জেলার আর চারটে রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানার মতো এখানেও মোদি সরকারের শ্রমিক মারা নীতি শুরু হয়েছে৷ অবিলম্বে এই চক্রান্তের বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে আন্দোলন৷ কার স্বার্থে কারখানা বিক্রি করা হচ্ছে? শ্রমিক পরিবারগুলির কি হবে এই অভিযোগ তুলে হাওড়াতে শুরু হয়েছে আন্দোলন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.