লন্ডন: করোনা আবহে প্রথমবার এমসিসি-র কমিটির বৈঠকে৷ বাউন্সার, ডিআরএস এবং টেস্ট বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপ-সহ বিভিন্ন নিয়ম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন কুমার সঙ্গাকারা, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, মাইক গ্যাটিং, শেন ওয়ার্নরা৷

এক বিবৃতিতে ক্রিকেটের আইনকানন রক্ষাকারী মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাবের তরফে জানানো হয়, এমসিসি ক্রিকেট কমিটির সভায় শর্টপিচ বোলিং, ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম-সহ কয়েকটি আইন নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়৷ এছাড়াও বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ভবিষ্যতেও লালা নিষিদ্ধ থাকবে কি না, তা নিয়েও আলোচনা হয়ছে সভায়৷ এছাড়াও লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানদের বাউন্সার দেওয়া নিয়েও আলোচনা হয়েছে৷

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, চেয়ারম্যান মাইক গ্যাটিংয়ের নেতৃত্বে গঠিত ক্রিকেট কমিটি আধুনিক গেমের জন্য শর্টপিচ ডেলিভারি সংক্রান্ত আইন উপযুক্ত কি না সে বিষয়ে বিশ্বজুড়ে মতামত নেবে। পরামর্শে বিবেচনা করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি হল ব্যাট এবং বলের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা৷ অন্য আঘাতের ক্ষেত্রে কনকাসনকে স্বীকৃতি দেওয়া যায় কি না৷ এছাড়া জুনিয়র ক্রিকেট এবং লো-অর্ডার ব্যাটসম্যানদের সুরক্ষার কথা ভেবে বর্তমান আইনগুলি উপযুক্ত কি না, তা নিয়েও পর্যলোচনা করা হয়। সদস্যরা সর্বসম্মতভাবে সম্মত হয়েছেন যে, শর্ট-পিচ বোলিং এলিট পর্যায়ে খেলার একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। ২০২১ সালের মার্চ মাসে বিশেষ কিছু গ্রুপের মধ্যে এ নিয়ে সমীক্ষা চালানো হবে৷ তারপর তা ২০২২ সালে প্রথম দিকে সিদ্ধান্ত জনসাধারণের কাছে প্রকাশ করা হবে।

এছাড়াও করোনা ভাইরাসের কারণে বলে লালা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাবের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়েছে সভায়৷ যেখানে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ মহামারীর প্রেক্ষাপটে আইসিসি ক্রিকেট কমিটির এই সুপারিশ এখনও বলবৎ থাকবে। বিবৃতিতে পরিষ্কার করে দেওয়া হয় যে, ‘নিয়ম প্রবর্তনের পর থেকে কমিটি গেমের ভারসাম্য সম্পর্কে বলের উপর কেবল ঘামের ব্যবহার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে আসছে। প্রাথমিকভাবে কিছু শঙ্কা উত্থাপিত হয়েছিল যে, লালা ব্যবহার নিষিদ্ধ করার ফলে ব্যাটসম্যানদের পক্ষে পরিস্থিতি খুব বন্ধুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে৷’

বলের উপর স্থায়ীভাবে লালা ব্যবহার নিষিদ্ধ করার বিষয়ে বিতর্ক হয়েছিল৷ এই জাতীয় সুপারিশের জন্য উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে সমর্থন পাওয়া গেলেও কিছু সদস্য মনে করেছিলেন যে, স্থায়ীভাবে লালা ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হলেও কোভিড-১৯ পরবর্তী বিশ্বে আবারও এর ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া সম্ভব। এছাড়াও ডিসিশন রিভিউ সিস্টেমে আম্পায়ার্স কল নিয়ে সম্প্রতি সচিন তেন্ডুলকর প্রশ্ন তোলায় এই ব্যবস্থা আরও আলোচনার বিষয় বলে জানানো হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।