লন্ডন: বিরাট কোহলি (Virat Kohli), রোহিত শর্মাদের (Rohit Sharma) হাতে কি উইলো কাঠের পরিবর্তে বাঁশের তৈরি ব্যাট (Bamboo Bat) দেখা যাবে? উত্তর না৷ অদূর ভবিষ্যতে এমনটা দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই৷ কারণ বাঁশের তৈরি ব্যাটকে স্বীকৃতি দিল না মেরিলেবোর্ন ক্রিকেট ক্লাব (MCC)৷

বাঁশের ব্যাট দিয়ে খেলা ‘অনৈতিক’ দাবি করে এমসিসি-র ব্যাখ্যা, বাঁশের তৈরি ব্যাট দিয়ে খেলার অনুমতি দিতে গেলে হয় নিয়ম পাল্টাতে হবে, নয়তো বাঁশকে কাঠ বলতে হবে। এটা অনৈতিক। তবে ছোটদের জন্য বাঁশের তৈরি ব্যাট দিয়ে খেলা যেতে পারে। সোমবার এমসিসি-র তরফে এক বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, “Currently, law 5.3.2 states that the blade of the bat must consist solely of wood, so for bamboo (which is a grass) to be considered as a realistic alternative to willow would require a law change.”

সম্প্রতি দার্শিল শাহ (Darshil Shah) ও বেন টিঙ্কলার-ডেভিস (Ben Tinkler-Davies) নামে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটির (University of Cambridge) দুই ছাত্র একটি রিসার্চ করেন। যার প্রধান বিষয় ছিল বাঁশের তৈরি ক্রিকেট ব্যাট। তাঁদের গবেষণায় জানা যায়, কাশ্মীরি বা ইংলিশ উইলো ব্যাটের চেয়ে বাঁশের ব্যাটে বেশি রান করা সম্ভব। তাঁদের মতে বাঁশের ব্যাটে সুইট-স্পট (sweet spot) এতটাই বেশি থাকে যে ইয়র্কার বলেও চার, ছক্কা মারা সম্ভব। তাছাড়া এই ধরনের ব্যাট অনেক সাশ্রয়করও।

ভবিষ্যতে কি ব্যাটসম্যানদের কি বাঁশের তৈরি ব্যাট নিয়ে বাইশ গজে নামতে দেখা যাবে? এমনই সব প্রশ্ন ঘুরে বেড়াচ্ছে ক্রিকেটবিশ্বে। কিন্তু বিশ্ব ক্রিকেটে নিয়ম তৈরি করা এমসিসি-র তরফে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয় এটা ‘অনৈতিক’৷ এমসিসি-র তরফে জানানো হয়, তাঁরা এই রিসার্চ পড়েছেন এবং সেই কারণেই তাঁরা এই মুহূর্তে বাঁশের ব্যাটের পক্ষে রায় দিতে পারছেন না। কারণ বাঁশ আসলে একটি ঘাস। আর ক্রিকেট আইনে ঘাসের তৈরি ব্যাট দিয়ে খেলার কথা উল্লেখ নেই। তবে এমসিসি বিবৃতিতে জানিয়েছে, “…this could provide a pertinent angle for further research and the possibility of reducing the cost of producing bats in different areas of the world. The Club will discuss the topic at the next laws sub-committee meeting.”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.