কলকাতা: গত মরশুমে অল্পের জন হাতছাড়া ট্রফি৷ মাত্র এক পয়েন্টের ব্যবধানে খালিদ জামিলের হাতে অর্থাৎ আইজল ক্লাব তাঁবুতে ঠাঁই হয়েছে গতবার আই লিগ ট্রফিটির৷ কিন্তু এবার দেখেশুনেই পা-ফেলতে চান মোহনবাগান কোচ সঞ্জয় সেন৷

আরও পড়ুন: ডার্বির আগে ‘হাসির রাজা’ খালিদ জামিল

আই লিগ-এর চিত্রপটে এবার এসেছে পরিবর্তন৷ গতবারের চ্যাম্পিয়ন দলের কোচ খালিদ জামিলই এখন লাল-হলুদ শিবিরের ‘সোনার কাঠি’৷ রবিবাসরীয় দুপুরে যুবভারতীর সবুজ গালিচায় সেই খালিদবাহিনীর বিরুদ্ধেই নামছে সঞ্জয়বিগ্রেড৷

যুবভারতীর ডার্বি ঘিরে সঞ্জয় কিন্তু একেবারেই ‘পুরোনো কাসুন্দি ঘাঁটতে অনিচ্ছুক৷’ ময়দানি মহারণের আগে ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের প্রশংসা করলেও নিজেদের ‘আন্ডার ডগ’ ভাবছেন না বাগানের ‘হেডস্যার’৷ তাঁর উদ্দেশ্য পয়েন্ট হাতছাড়া না- করা৷ গতবারের ভুল আর করতে চান না সঞ্জয়৷ বাগান কোচের বক্তব্য, ‘আমরা গতবার এক পয়েন্টের জন্য ট্রফি জিততে পারিনি৷ এবার আর সেই ভুল করতে চাই না৷ আমরা রক্ষণের ওপরে জোর দেওয়ার চেষ্টা করছি৷ আক্রমণেও আমরা আঘাত হানবো৷’

আরও পড়ুন: ‘সারপ্রাইজটা তোল থাক, ডার্বিতে প্রকাশ্য’

সঞ্জয়ের মোদ্দা কথা হল ডার্বিতে জয় না-এলেও ড্র হলেও সন্তুষ্ট৷ তিনি বলেন, ‘প্রতিটি পয়েন্ট আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ৷ আমরা কোন ভাবেই পয়েন্ট খোয়াতে চাই না৷’ রবিবাসরীয় ডার্বি ঘিরে উত্তেজনার পরশ তিনি যে উপভোগ করছেন তা জানাতে ভোলেননি৷ তিনি জানান, ‘আমরা ডার্বির জন্য তৈরি৷ ম্যাচটা শুধু ম্যাচ নয় এটা রীতিমতো একধরনের স্নায়ুযুদ্ধ৷ আশা করি এই ম্যাচ রুদ্ধশ্বাস হবে৷ আমরা এই ডার্বিটা খুব উপভোগ করব৷’

আরও পড়ুন: সমর্থকরা ভাঙচুর করলে ক্লাবের নির্বাসন

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।