কলকাতা: আইএসএলে ঐতিহাসিক ডার্বি জয়ের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বাইশ গজে ডার্বিতে বাজিমাত করল সবুজ-মেরুন৷ শনিবার ক্রিকেটের নন্দনকাননে বেঙ্গল টি-২০ চ্যালেঞ্জে শেষ বলের থ্রিলারে ইস্টবেঙ্গলকে ১ রানে হারাল মোহবনবাগান৷

ফুটবলের ঘটি-বাঙালের লড়াইয়ের মতো ক্রিকেটে হয়তো এতটা উন্মাদনা নেই৷ তবুও ময়দানের এই দুই ক্লাবের কাছে ক্রিকেটযুদ্ধও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়৷ শুক্রবার গোয়ায় আইএসএলে প্রথমবার মুখোমুখি হয়েছিল এটিকে মোহনবাগান ও এফসি ইস্টেবঙ্গল৷ ঐতিহাসিক এই ম্যাচে পদ্মাপাড়ের ক্লাবকে ২-০ পরাস্ত করে গঙ্গাপাড়ের ক্লাব৷

ঠিক এর পরের দিনে অর্থাৎ শনিবার ইডেনে ক্রিকেটের ডার্বিতে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে সেই বাঙালদের হারিয়ে দিল ঘটিরা৷ টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে মোহনবাগান ৫ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান তোলে। অধিনায়ক অনুষ্টুপ মজুমদার ৩৭ বলে ৫৫ রানে অপরাজিত বাগানকে একশো রানের গণ্ডি টপকাতে সাহায্য করে৷ ৭টি বাউন্ডারি ও একটি ছক্কা হাঁকান অনুষ্টুপ৷ এছাড়া বিবেক সিং ৪৪ বলে ৪১ রান করেন। ইস্টবেঙ্গলের সফলতম বোলার কনিষ্ক শেঠ৷ ৩১ রান খরচ করে তিনটি উইকেট নেন তিনি৷ তবে উইকেট না-পেলেও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নজর কাড়েন মুকেশ কুমার।

অল্প রানের পুঁজি নিয়েও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পরে মোহনবাগান ক্রিকেটাররা। রান তাড়া করতে নেমে ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১২০ রানে আটকে যায় ইস্টবেঙ্গল৷ লাল-হলুদ জার্সিতে ব্যাট হাতে একা লড়াই করেন সায়ন শেখর মণ্ডল। ৫৫ বলে ৫২ রান করেন তিনি৷ বল হাতে একাই ইস্টবেঙ্গলকে টেক্কা দেন ঋত্ত্বিক চট্টোপাধ্যায়৷ ৪ ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে মোহনবাগানকে রুদ্ধশ্বাস জয় এনে দেন৷

শেষ ওভারে জয়ের জন্য ইস্টবেঙ্গলের দরকার ছিল ৮৷ সেখান থেকে শেষ বলে ৩ রান করলে ম্যাচ জিতত লাল-হলুদ। কিন্তু মাত্র এক রান তুলতে সক্ষম হয় ইস্টবেঙ্গল। সায়ন শেখর ২ রান নিয়ে ম্যাচ টাই করার চেষ্টায় রান নিতে গিয়ে রান-আউট হন৷ আর এক রানে রুদ্ধশ্বাস জয় ছিনিয়ে নেয় মোহনবাগান৷

হাঁটুর চোটের কারণে মনোজ তিওয়ারি মাঠে নামতে পারেননি। তাঁর পরিবর্তে ডার্বিতে মোহনবাগানকে নেতৃত্ব দেন অনুষ্টপ। জয়ের পর মোহন অধিনায়ক অনুষ্টুপ বলেন, ‘ডার্বিতে পারফরম্যান্স করার একটা আলাদা তাগিদ থাকে৷ দলের জয়ে পারফর্ম করতে পেরে ভালো লাগছে৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।