স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়কে রোমের সম্রাট নিরোর সঙ্গে তুলনা করলেন আসানসোলের মেয়র জিতেন্দ্র তেওয়ারি।

লকডাউনে এলাকায় স্থানীয় সাংসদের অনুপস্থিতিকেও খোঁচা দিয়েছেন তিনি। টুইটারে মেয়র জিতেন্দ্র তেওয়ারি লিখেছেন , ”রোম যখন পুড়ছিল, সম্রাট নিরো তখন বেহালা বাজাচ্ছিল। সাংসদ তথা মন্ত্রীরও তাই অবস্থা হয়েছে। যখন সাধারণ মানুষের খাবার দরকার,তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় সাংসদ গান শোনাচ্ছেন। ভুয়ো পোস্ট করে ক্রমাগত কুৎসা করছেন রাজ্যের বিরুদ্ধে।”

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে লাগাতার টুইট আক্রমণ করছেন আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। কখনও রেশন বণ্টন কখনও হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে শাসক দলকে বিঁধছেন তিনি। পাল্টা তৃণমূলের অভিযোগ, লকডাউনের সময় এলাকায় সাংসদের বাবুলের দেখা নেই। অথচ ফেসবুক, টুইটারে তাঁর উপস্থিতি জ্বলজ্বল করছে।

এর প্রেক্ষিতেই মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি টুইটারে লিখেছেন, করোনা ভাইরাসের পরীক্ষাকেন্দ্রের কাজ কতদূর হয়েছে, তা আসানসোলবাসীকে জানান সাংসদ। মেয়র পারিষদ অভিজিৎ ঘটক ফেসবুক পোস্টে প্রশ্ন তুললেন, দিল্লির প্রতিনিধি দল লকডাউন ভেঙে যদি রাজ্যে আসতে পারেন, তবে আসানসোলে পা রেখে বাবুল সুপ্রিয় কেন এলাকাবাসীর পাশে দাঁড়াচ্ছেন না? বিধায়ক, মেয়র, মন্ত্রীকে যখন এলাকায় ত্রাণ বিলি করতে দেখা যাচ্ছে, তখন সাংসদের দেখা নেই কেন?

এর জবাবে বাবুল সুপ্রিয়র টিম টুইটারে একটি পোস্ট করেছে। সেখানে লেখা, বাবুল সুপ্রিয় তৃণমূল নেতাদের মতো মিথ্যাচার করে না। মিথ্যাচারের জন্যই আসানসোলবাসী তৃণমূলকে ২ লক্ষ ভোটে হারিয়েছে। ভাইরাসের পরীক্ষাগার সম্পর্কে বাবুল সুপ্রিয় টুইটে সাফাই দেন, আাসনসোল বা দুর্গাপুরের মধ্যে ল্যাব খোলার জন্য উপযুক্ত জায়গা খোঁজার চেষ্টা চলছে। তবে এই কাজটি সময়সাপেক্ষ।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ