লখনউ: চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলেন বসপা নেত্রী মায়াবতী৷ জানিয়ে দিলেন পরবর্তী যতগুলি নির্বাচন আসতে চলেছে, প্রতিটিতেই একা লড়বে তাঁর দল৷ আর অখিলেশের সঙ্গে জোট নয়, এবার একলা চলার নীতিতে হাঁটতে চলেছে বহুজন সমাজ পার্টি৷

একাধিক ট্যুইট করে বসপা নেত্রী সোমবার জানিয়ে দেন একাধিক অভিযোগ পাশে রেখে বসপা-সপা হাত ধরেছিল৷ কিন্তু সেই প্রয়োজন ফুরিয়েছে৷ ২০১২ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে একাধিক দলিত বিরোধী ও বসপা বিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৎকালীন সপা সরকার৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও রাজ্যের প্রয়োজনে ও মানুষের স্বার্থে অখিলেশের দলের হাত ধরেছিল বসপা৷ নির্বাচনে ভালো ফলও করে এই জোট৷ কিন্তু দলের স্বার্থে এবার কড়া হতে হচ্ছে৷ বসপা ভবিষত্যে একা লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷

ছোট হোক বা বড় নির্বাচন, একাই লড়বে তাঁর দল, একথা এদিন জানিয়ে দেন বিএসপি নেত্রী৷ এর আগে, অখিলেশ যাদবকে আক্রমণ করেন মায়াবতী৷ তিনি বলেন বিজেপির দস্তানায় হাত গলিয়ে কাজ করছেন মুলায়ম, সেই পথেই হাঁটছে অখিলেশ৷ লখনউতে দলের সদর দফতরে এভাবেই সপাকে আক্রমণ করেন মায়াবতী৷

আরও পড়ুন : কংগ্রেস নয়, মানুষের মনের খোঁজ করুক বামপন্থীরা, মনে করেন দেবব্রত বিশ্বাস

এদিন মায়াবতী দাবি করেন জোট ভাঙার পর একবারও নিজে থেকে ফোন করেননি অখিলেশ৷ এমনকী ভোটে ভরাডুবির পরেও সপা থেকে বসপার দফতরে পরবর্তী কর্মসূচি নিয়ে কোনও আলোচনা চাওয়া হয়নি৷

দলের জাতীয় কর্মসমিতির সভা শেষে এক সাংবাদিক বৈঠক করেন মায়াবতী৷ সেখানেই সপা প্রধানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি৷ তিনি বলেন, হারের দায় দুই দলেরই সমান ভাবে নেওয়া উচিত৷ কিন্তু ভোটের ফলের পর অখিলেশ তাঁর সঙ্গে দেখাও করেননি, ফোনও করেননি৷ তাই এই জোট আর এগোনো উচিত নয় ভেবে গঠবন্ধনের রাস্তা ত্যাগ করেছেন তিনি৷

মায়াবতীর অভিযোগ সমাজবাদী পার্টি প্রেসিডেন্ট লোকসভা ভোটে মুসলিমদের প্রার্থী করার বিরোধিতা করেছিলেন৷ তিনি নাকি বলেছিলেন নির্বাচনে হিন্দু ভোট টানতে মুসলিমদের প্রার্থী না করাই উচিত৷ মায়াবতীর দাবি বসপা সেই দাবি মানেনি৷ তাদের তরফ থেকে মুসলিম প্রার্থী দেওয়া হয়েছিল৷

আরও পড়ুন : বিজেপিতে যোগ দিতে যাচ্ছেন মোদীর প্রশংসা করে বহিস্কৃত মুসলিম কংগ্রেস নেতা

এর আগে, সাংবাদিক বৈঠকে জোট ভাঙার কারণ ব্যাখ্যা করেছিলেন মায়াবতী। জোটযাত্রা সম্পূর্ণ ভেস্তে গিয়েছে বলেও মানতে নারাজ ছিলেন বিএসপি নেত্রী। তাঁর কথায়, “আমাদের জোট চিরতরে ভেঙে যায়নি। যদি আমাদের মনে হয় যে সপা প্রধান রাজনীতির ময়দানে সফল হতে পেরেছেন তাহলে আবার জোট করতেই পারি।”

কিন্তু তেমন না হলে কী হবে? এই প্রশ্নের জবাবে মায়াবতী বলেন, “তেমন কিছু হলে আমাদের আলাদা লড়াই করাই ভালো।” সেই কারণেই উপনির্বাচনে দুই দল আলাদা আলাদা লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়ে ছিলেন দলিত কি বেটি তথা বহুজন সমাজ পার্টির নেত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।