লখনউ: সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের প্রচার জমে উঠেছে। এরই মাঝে প্রচারে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করলেন বহুজন সমাজবাদী পার্টির প্রধান নেত্রী মায়াবতী। প্রচার পর্বেই নিজেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চিহ্নিত করলেন দলিত কি বেটি।

সমগ্র দেশ জুড়ে সাত দফায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে লোকসভা নির্বাচন। সোমবার ছিল পঞ্চম দফার ভোট গ্রহণ। ওই দিনেই উত্তর প্রদেশের আম্বেদকর নগরে জনসভা করেন মায়াবতী। সেখানেই সভামঞ্চের পিছনে দেখা যায় তাঁর বিশাল বড় কাটআউট। যার নিচে লেখা প্রধানমন্ত্রী।

এই কাটআউট থেকেই শুরু হয় জল্পনা। কিসের ইঙ্গিত দিচ্ছেন বিএসপি নেত্রী মায়াবতী? তা নিয়েই শুরু হয়ে যায় রাজনৈতিক জল্পনা। গেরুয়া ঝড় রুখতে একদা শত্রু সপার সঙ্গে জোট করেছেন মায়াবতী। সপা নেতা অখিলেশের সঙ্গে একযোগে সাংবাদিক সম্মেলন করে জোট বার্তাও দিয়েছেন।

তাই বলে তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দাবিদার এমন কথা কখনও শোনা যায়নি মায়ার মুখে। সোমবার পঞ্চম দফার ভোটের দিন সেই সুপ্তন ইচ্ছা প্রকাশ পেল দলীয় কর্মীদের মাধ্যমে। কাটআউট-এর নিচে প্রধানমন্ত্রী লেখা যে কেবল কর্মীদের আবেগ নয় তা বুঝিয়ে দিয়েছেন নেত্রী মায়াবতী। ওই আম্বেডকর নগর থেকেই লোকসভা নির্বাচনে লড়াই করার কথাও বলেছেন তিনি।

তবে নির্বাচনে লড়াই জকরবেন কিনা তা এখনও চুড়ান্ত নয়। কেন্দ্রে সরকার গঠনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে আম্বেডকর নগর থেকেই লড়বেন মায়াবতী। সেক্ষেত্রে কোনও সাংসদকে ইস্তফা দিতে হবে। এই কেন্দ্র থেকেই এর আগে চারবার সাংসদ হয়েছিলেন মায়া। ১৯৯৫ সালে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ায় সময়েও বিধায়ক ছিকেন না বিএসপি নেত্রী। পরে উপনির্বাচনে জিতেছিলেন।

সোমবারের সভায় দাঁড়িয়ে মায়াবতী বলেন, “সব ঠিকঠাক থাকলে, আমাকে এখান থেকেই নির্বাচনে লড়তে হে। কারণ জাতীয় রাজনীতির পথ এই আম্বেডকর নগর দিয়েই গিয়েছে।” একই সঙ্গে ওই সভা থেকেই সংবিধান প্রণেতা ভীমরাও আম্বেডকরকেও স্মরণ করেন মায়া। দলিত নেতাকে সম্মান জানিয়ে মোদীকে কটাক্ষ করে মায়াবতী বলেন, “নমো নমো করার দিন শেষ। এবার দিন আসছে জয় ভীম বলার।”