আমরা সকলেই কম বেশি ঘুরতে যেতে ভালোবাসি। অল্প বয়সীদের ক্ষেত্রে ঘুরতে যাওয়ার ক্ষেত্রে জঙ্গল, পাহাড়, সমুদ্র অগ্রাধিকার পেয়ে থাকে। কিন্তু বাড়িতে আমাদের অনেকেরই বয়স্ক মা বাবা বা আত্মীয়রা থাকেন যারা এখন বিভিন্ন রোগ বা বয়েসের কারণে পাহাড় বা জঙ্গলে স্বচ্ছন্দ নন, এই বয়েসে এসে ধর্ম কর্ম নিয়েই ভালো থাকতে চান। নানা রকম ধর্মীয় স্থান বা মন্দিরে গিয়ে শান্তি পান। তাদের এই ইচ্ছেটাও আমাদের গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তাই তাঁদের নিয়ে কাছাকাছি কোনো ধর্মীয় স্থানে ঘুরে আসাই যায়।

কলকাতার খুব কাছেই রয়েছে এমন একটি ধর্মীয় স্থান, মায়াপুর। মায়াপুর ইসকনের মন্দিরে পৃথিবী বিখ্যাত। কলকাতা থেকে দূরত্ব মাত্র ১৩০ কিমি। নিজের গাড়ি থাকলে সহজেই ঘুরে আসতে পারেন।

কীভাবে যাবেনঃ কলকাতা থেকে ট্রেনে যেতে গেলে হাওড়া বা শিয়ালদহ থেকে কাটোয়া লোকাল ধরে নবদ্বীপের আগের স্টেশন বিষ্ণুপ্রিয়া হল্টে নেমে যাওয়াটাই সুবিধাজনক। সেখান থেকে ১০ টাকা ভাড়ায় টোটো বা সাইকেল ভ্যানে চেপে ৫ মিনিটে লঞ্চঘাট। তবে বিষ্ণুপ্রিয়া হল্টে সব ট্রেন দাঁড়ায় না , সেক্ষেত্রে নবদ্বীপ স্টেশনে নেমে লঞ্চঘাট আসতে হবে। এরপর লঞ্চে ৩ টাকার টিকিটে ২৫-৩০ মিনিটে মায়াপুরের হুলোর ঘাটে নেমে পরতে হবে। সেখান থেকে আবার ১০ টাকায় টোটোয় বা পদব্রজে মায়াপুরের ইস্কন মন্দিরে।শিয়ালদহ থেকে কৃষ্ণনগর লোকালে কৃষ্ণনগরে নেমেও যাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে স্টেশনের বাইরে থেকে ২০ টাকা ভাড়ায় অটোয় চাপলে স্বরূপগঞ্জের ঘাটে পৌঁছাতে প্রায় ৪০-৪৫ মিনিট লাগবে। ঘাট থেকে ২ টাকার টিকিটে নৌকা চেপে ৫ মিনিটে মায়াপুরের হুলোর ঘাটে নেমে যেতে পারবেন। কলকাতার মায়াপুরের অফিস থেকে এসি বাস ছাড়ে ওই বাস করেই আবার ফেরা যায়। বুকিং হয় অনলাইনে।

কোথায় থাকবেন: মায়াপুর একদিন গিয়েই ফিরে আসা যায়। আপনি যদি থাকতে চান ওদের নিজেদের গেস্ট হাউস আছে। ওখানেই থাকতে পারেন। অনলাইন বুক করতে হবে।

কী কী দেখবেন: মন্দির এই খানকার সব থেকে প্রধান আকর্ষণ। মায়াপুর এর নির্মীয়মান ইসকনের নতুন মন্দিরটি ২০২২ সাল নাগাদ শেষ হবে। ইসকনের মধ্যে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই দেখতে পাবেন ঠিক বা দিকে অষ্টপ্রহর সংকীর্তনের জন্য ছাউনী করা। এখানে বসে ভজন সংকীর্তন শোনা যায়। বিভিন্ন বিদেশিদের এখানে কৃষ্ণের সংকীর্তন করতে দেখবেন যা এক আলাদা অনুভুতি। এরপর ঘুরে দেখুন ইসকনের চন্দ্রদয় মন্দির, প্রভু পদের সমাধি মন্দির, গো শালা। বেশ ভালই লাগবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.