শারজা: মরু শহরে উইলোয় ঝড় তুললেন কিংস ইলেভেন পঞ্জাবের দুই ওপেনিং ব্যাটসম্যান। গত ম্যাচে শতরানে একাধিক রেকর্ড ভেঙে দেওয়া পঞ্জাব অধিনায়ক কেএল রাহুল কিছুটা সমঝে খেললেও রাজস্থান বোলারদের এদিন ন্যূনতম আস্ফালন দেখানোর সুযোগ দিলেন না রাহুলের ওপেনিং পার্টনার ময়াঙ্ক আগরওয়াল। প্রথম ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে দুরন্ত খেলেও শেষমুহূর্তের ভুলে দলকে জয় এনে দিতে পারেননি বেঙ্গালুরুজাত এই ব্যাটসম্যান।

তবে তৃতীয় ম্যাচে এসে যেন সুদে-আসলে সব পুষিয়ে দিলেন জাতীয় দলের টেস্ট ক্রিকেটার। ২৯ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করে মাত্র ১৬ বলে পরের ৫০ রান পূর্ণ করলেন ময়াঙ্ক। সবমিলিয়ে ৪৫ বলে আইপিএলের প্রথম শতরান পূর্ণ করে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের এলিট ক্লাসে ঢুকে পড়েন তিনি। আইপিএলের ইতিহাসে ভারতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে দ্বিতীয় দ্রুততম শতরান এটি, সবমিলিয়ে দ্রুততম শতরানের নিরিখে এটি যুগ্মভাবে সপ্তম সর্বোচ্চ। আইপিএলে ৪৫ বলে শতরানের নজির রয়েছে সনথ জয়সূর্যর দখলেও।

শেষ অবধি ৫০ বলে ১০৬ রানের ইনিংস খেলে কারেনের শিকার হয়ে যখন তিনি ফিরছেন তখন স্কোরবোর্ডে পঞ্জাবের রান ১৮৩। উলটোদিক তখনও আগলে রেখেছেন অধিনায়ক রাহুল। ওপেনিং জুটিতে এই দুই ব্যাটসম্যান আর ৩ রান করতে পারলেই গড়ে ফেলতেন আইপিএলের ইতিহাসে একটি সর্বকালীন রেকর্ড। অর্থাৎ, ওপেনিংয়ে সর্বোচ্চ রানের জুটি গড়তে পঞ্জাবের এই দুই ব্যাটসম্যানের দরকার ছিল আর ৩ রান।

উল্লেখ্য, গতবছর আরসিবির বিরুদ্ধে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের দুই গোড়াপত্তনকারী ওয়ার্নার-বেয়ারস্টো ওপেনিং জুটিতে তুলেছিলেন ১৮৫ রান। যা আইপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রানের ওপেনিং পার্টনারশিপ। এরপর দ্বিতীয়স্থানে রয়েছেন কেকেআরের গৌতম গম্ভীর-ক্রিস লিন জুটি। ২০১৭ গুজরাত লায়ন্সের বিরুদ্ধে এই ব্যাটসম্যান ওপেনিং জুটিতে তুলেছিলেন ১৮৪ রান। অর্থাৎ, জুটিতে আর মাত্র ২ রান করতে পারলেও ওয়ার্নার-বেয়ারস্টো জুটিকে স্পর্শ করতে পারতেন ময়াঙ্ক-রাহুল। কিন্তু অল্পের জন্য তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হল।

ময়াঙ্কের পাশে এদিন ব্যাট হাতে সমান উজ্জ্বল কেএল রাহুলও। ৭টি চার ও একটি ছয়ে ৫৪ বলের ৬৯ রানের ইনিংস আসে অধিনায়কের ব্যাট থেকে। ময়াঙ্কের ইনিংস সাজানো ছিল ১০টি চার এবং ৭টি ছয়ে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।