নাগপুর: মেলবোর্নে জাতীয় দলের হয়ে আত্মপ্রকাশে নিশ্চিত শতরান মাঠে ফেলে এসেছিলেন৷ অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে কেরিয়ারের প্রথম টেস্ট ইনিংসে ৭৬ রানে আউট হয়েছিলেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল৷ সিডনিতে ঠিক পরের টেস্টেও অবধারিত সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন তিনি৷ ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে নেমে আউট হন ব্যক্তিগত ৭৭ রানে৷ দেশে ফিরে একটি মাত্র রঞ্জি ম্যাচ খেলেছেন৷ তাতে হাফসেঞ্চুরির দোরগোড়া থেকে ফিরতে হয়েছে মায়াঙ্ককে৷ এবার অবশিষ্ট ভারত একাদশের হয়ে ইরানি কাপে আরও একবার শতরানের হাতছানি উপেক্ষা করলেন তিনি৷

আরও পড়ুন: স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়লেন পল, রুটের শতরানে জাঁকিয়ে বসল ইংল্যান্ড

বিদর্ভের বিরুদ্ধে দিনের প্রথম সেশনে ৮৩ রানে অপরাজিত ছিলেন মায়াঙ্ক৷ লাঞ্চের পর ব্যাট করতে নেমে মনোসংযোগে চিড় ধরায় নার্ভাস-নাইন্টি’র ঘরে আউট হয়ে বসেন তিনি৷ ৯৫ রানের আগ্রাসী ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন আগরওয়াল৷ ১৩৪ বলের ইনিংসে ১০টি চার ও ৩টি ছক্কা মারেন মায়াঙ্ক৷

মায়াঙ্ক তিন অঙ্কে পৌঁছতে ব্যর্থ হলেও টিম ইন্ডিয়ার আর এক নবাগত তারকা হনুমা বিহারী ব্যক্তিগত সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে ভুল করেননি৷ মায়াঙ্ক আউট হওয়ার পর অবশিষ্ট ভারত এক প্রান্ত দিয়ে ধারাবাহিকভাবে উইকেট হারাতে থাকলেও হনুমাকে টলানো যায়নি৷ চায়ের বিরতির পর ১০টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ১৮৭ বলে শতরানের গণ্ডি পেরিয়ে যান হনুমা৷

আরও পড়ুন: অমিত ভান্ডারী নিগ্রহ কান্ডে গ্রেফতার ২

অবশিষ্ট ভারতের বাকি তারকারা অবশ্য নজর কাড়তে পারেননি৷ আনমোলপ্রীত সিং ১৫ রান করে আউট হন৷ অধিনায়ক রাহানে ফেরেন ১৩ রান করে৷ শ্রেয়স আইয়ার ১৯, ইশান কিষাণ ২, কৃষ্ণাপ্পা গৌতম ৭ ও ধর্মেন্দ্রসিং জাদেজা ৬, রাহুল চাহার ২২ ও অঙ্কিত রাজপুত ২৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন৷ হনুমা শেষমেশ আউট হন ১১৪ রান করে৷ দিনের শেষ ওভারে অবশিষ্ট ভারত প্রথম ইনিংসে অলআউট হয়ে যায় ৩৩০ রানে৷