শারজা: শারজার ছোট মাঠ ব্যাটসম্যানদের পক্ষে বরাবরই সহায়ক। এই স্টেডিয়ামে রাজস্থান রয়্যালস বনাম চেন্নাই সুপার কিংসের মধ্যে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচই প্রমাণ করেছিল সেটা। বিগ স্কোরিং ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ২১৬ রান তুলে ১৬ রানে চেন্নাইকে পরাস্ত করেছিল রাজস্থান রয়্যালস। দ্বিতীয় ম্যাচেও তেমনই বড় রান ওঠার প্রছন্ন বার্তা ছিলোই। আর মাঠে নেমে রবিবাসরীয় শারজায় সেই সম্ভাবনাকেই বাস্তব রূপ দিলেন কিংস ইলেভেন পঞ্জাবের ওপেনিং জুটি।

গতদিন ঝড় উঠেছিল অধিনায়ক কেএল রাহুলের ব্যাটে। আর রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ঝড় উঠল রাহুলের ওপেনিং পার্টনার ময়াঙ্ক আগরওয়ালের ব্যাটে। প্রথম ম্যাচে দলকে জয়ের দোরগোড়ায় নিয়ে গিয়েও কাঙ্খিত জয় এনে দিতে পারেননি। তৃতীয় ম্যাচে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় এবং ব্যক্তিগত প্রথম আইপিএল শতরান করে দলকে রানের পাহাড়ে তুলে দিলেন ময়াঙ্ক। জোফ্রা আর্চার, টম কারেন, শ্রেয়স গোপালদের একেবারে সাধারণ স্তরে নামিয়ে এনে মাত্র ৫০ বলে ১০৬ রান করলেন ময়াঙ্ক আগরওয়াল।

এদিন শারজায় মাত্র ৪৫ বলে তিন অঙ্কের রানে পৌঁছে গিয়েছেন ময়াঙ্ক। আইপিএলের তৃতীয় সংস্করণে ইউসুফ পাঠানের ৩৭ বলে শতরান টুর্নামেন্টে ভারতীয় হিসেবে দ্রুততম শতরান। আর ৪৫ বলে ময়াঙ্কের এদিনের শতরানটি হল ভারতীয় হিসেবে আইপিএলের ইতিহাসে দ্বিতীয় দ্রুততম। ময়াঙ্কের এদিনের বিধ্বংসী সাজানো ছিল ১০টি চার এবং ৭টি ছয়ে। শেষ অবধি দলের রানকে উচ্চতায় পৌঁছে দিয়ে ১৭তম ওভারের তৃতীয় বলে কারেনের শিকার হন তিনি। তবে প্রথম থেকে যেভাবে তিনি এদিন রাজস্থান বোলারদের আক্রমণের পথ বেছে নেন, তাঁর কোনও প্রশংসাই যথেষ্ট নয়।

অন্যদিকে তাঁকে দুরন্ত সহযোগীতা করেন গত ম্যাচের শতরানকারী অধিনায়ক কেএল রাহুল। ৫৪ বলে ৬৯ রানের মূল্যবান ইনিংস এল দক্ষিণী ক্রিকেটারের ব্যাট থেকে। রাহুলের ইনিংসে ছিল ৭টি চার এবং ১টি ছয়। ওপেনিং জুটিতে এই দুই ব্যাটসম্যানের ১৮৩ রানের জুটিতে ভর করে ২০০ রানের গন্ডি পেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয় পঞ্জাবের। শেষ অবধি নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ২২৩ রান তোলে পঞ্জাব।

শেষদিকে ১টি চার এবং ৩টি ছয়ে ৮ বলে ২৫ রানের ক্যামিও আসে নিকোলাস পুরানের ব্যাট থেকে। ৯ বলে ১৩ রানের অপরাজিত থাকেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।