কলকাতা: সামনে ভোট। তার আগেই SSC নিয়ে শুরু জল্পনা। জানা যাচ্ছে, স্কুলগুলিতে কত শূন্যপদ সৃষ্টি হয়েছে তা জানতে চাইছে শিক্ষা দফতর। এরপরেই জল্পনা, তবে কি আসতে চলেছে SSC-র বিজ্ঞপ্তি?

সূত্রের খবর অনুযায়ী, শিক্ষা দফতর জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকদের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে, জানতে চাওয়া হয়েছে ২০১৮ সালের ৮ মার্চ থেকে স্কুলগুলিতে কত শূন্যপদ সৃষ্টি হয়েছে? কোন জেলায় কত শিক্ষাকর্মীর পদ খালি রয়েছে তাও জানাতে বলা হয়েছে। ফলে জল্পনা বেড়েছে।

প্রাপ্ত সূত্রের খবর থেকে জানা যাচ্ছে, স্কুলগুলিতে ছাত্র শিক্ষকের অনুপাত ৩৫ করতে বলা হয়েছে। যা আগে ছিল ৪০। এছাড়া শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী মাধ্যমিক ও উচ্চ প্রাথমিকে ভাগ করা হবে শিক্ষকদের। এক্ষেত্রে অনুপাত হতে পারে ৩:২।

সমস্ত তথ্য ও শূন্যপদের সংখ্যা জানার পরেই শূন্যপদের সংখ্যা নির্ধারণ করতে হবে জেলা স্কুল পরিদর্শকদের। আপাতত যা জানা যাচ্ছে, আবেদনের জন্য অনলাইনে ব্যবস্থা করবে স্কুল সার্ভিস কমিশন। এবারে একজন প্রার্থী একাধিক পদে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করা যাবে শিক্ষাকর্মীর পদেও।

অন্যদিকে এতসবের মধ্যেও আটকে উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়া। আদালতে পর পর মামলায় এখনও প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেয়নি সরকার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।