মেমারি (পূর্ব বর্ধমান): দুর্গা মন্দিরের উদ্বোধন করে বিজেপির ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংয়ের হুঙ্কার, সিবিআই-এর হাত থেকে কেউই বাঁচবে না। নারদা, সারদা বা রোজভ্যালি কাণ্ডে জড়িতরা সবাই ধরা পড়বে।

বৃহস্পতিবার নারদা কাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বর্ধমানের প্রাক্তন পুলিশ সুপার এসএমএইচ মির্জার গ্রেফতারি নিয়ে তিনি বলেন, যারা অন্যায় করেছে তারা সবাই ধরা পড়বে। তবে সময় লাগবে।
তিনিও এদিন বলেন, সিবিআই একটু ধীর গতিতে চলছে ঠিকই। এই ব্যাপারে খোদ প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করছেন বিচার ব্যবস্থাকে আরও দ্রুততর করার।

নাম না করে রাজীব কুমারের আত্মগোপন প্রসঙ্গে অর্জুন সিং বলেন, একজন বড়মাপের পুলিশ অফিসার পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। এটা বাংলার কাছে অত্যন্ত লজ্জার। তিনি যদি অন্যায় নাই করে থাকেন তাহলে তিনি সিবিআইয়ের মুখোমুখি হচ্ছেন না কেন? আর কেনই বা মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ক্রমাগত আড়াল করছেন? তাহলে কি রাজীব কুমারের কাছে সেরকম কিছু তথ্য রয়েছে?

অর্জুন সিং বলেন, দলের নেতাদের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর এই সক্রিয়তা দেখা যায় নি। তাহলে রাজীব কুমারের ক্ষেত্রে কেন? এরপরই তিনি বলেন, কেন ভাইপোর বাড়ি বিশাল পুলিশ বাহিনি ঘিরে রেখেছে।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন ভাইপোর বাড়ির সামনে সমস্ত পুলিশকে হাজির করা হয়েছে। এর থেকেই তো সন্দেহ হচ্ছে ভাইপোর বাড়িতেই রাজীব কুমারকে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। তবে পৃথিবীটা গোল। যাবে কোথায়? কেউই রেহাই পাবে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.