স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মুত্যুর অপেক্ষায় দিন গুনছেন সারদাকর্তা সুদীপ্ত সেন৷ বৃহস্পতিবার সারদা মামলায় বারাসত আদালতে ঢোকার মুখে এমনটাই জানান তিনি৷

আরও পড়ুন- নির্বাচন কমিশন যেন ঋণখেলাপিদের প্রার্থী পদ অমুমোদন না করে : ব্যাংক ইউনিয়ন

বৃহস্পতিবার সারদা মামলায় বারাসত আদালতে পেশ করা হয় সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেনকে৷ এদিন সংশোধনাগার থেকে তাকে পুলিশি পাহারায় আদালতে আনা হয়৷ আদালতে ঢোকার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সুদীপ্ত সেন জানান, সারদার সমস্ত সম্পত্তি বেহাত হয়ে যাচ্ছে৷ এটাই আমার আপসোস৷ আমি মুত্যুর অপেক্ষায় আছি৷ যে কোনও দিন মৃত্যু হতে পারে৷ আমার বেঁচে থাকার মত কিছু নেই৷ সমস্ত কিছু কেড়ে নিয়েছে৷ কে বা কারা কেড়ে নিয়েছে তার উত্তরে অবশ্য কোনও মন্তব্য করেননি সুদীপ্ত সেন৷ এই কথাগুলো বলার মাঝে এক সময় তার চোখে জল চলে আসে৷

আরও পড়ুন- লোকসভায় ‘অধীর গড়’ গুড়িয়ে মিথ তৈরির হুঁশিয়ারি মমতার প্রার্থীর

সারদাকাণ্ড প্রকাশ্যের আসার পর ২০১৩ সালের ২৩ এপ্রিল কাশ্মীরের গুলমার্গ থেকে গ্রেফতার হন সুদীপ্ত সেন। তার পর থেকে আজও তিনি সংশোধনাগারে রয়েছেন৷ মাঝে মাঝেই তাকে আদালতে হাজিরা দিতে হয়৷ গ্রেফতারের পর বার বার সারদা কর্তা আদালতে বলেছেন, সারদার সমস্ত সম্পত্তি বিক্রি করে আমানতকারীদেরকে ফেরত দেওয়া হউক৷ কিন্তু আদালতে তা গ্রাহ্য হয়নি৷

২০১৫ সালে সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেনের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেয় সেবি। তারপর প্রায় ১৩৪টি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছে সেবি। যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের বেশ কয়েকটি হোটেল, রিসোর্ট, জমি এবং মিডিয়া রয়েছে বলে সূত্রের খবর। প্রাথমিক অনুমান সম্পত্তি বিক্রি করে উদ্ধার হবে প্রায় ৭৭৪ কোটি টাকা। সে সময় বলা হয়েছিল,ওই টাকা সারদায় টাকা রাখা ক্ষতিগ্রস্ত আমানতকারীদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু আজও আমানতকারীরা তাদের বেশির ভাগ টাকা ফেরত পায়নি বলে অভিযোগ৷