নয়াদিল্লি-কলকাতাঃ  বেজে গিয়েছে ভোটের দামামা! তবে এখনও ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়নি। তবে ঠিক কবে ভোট হবে তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। তবে সূত্রের খবর, সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহেই রাজ্যে হতে পারে বিধানসভা নির্বাচন। এমনটাই জানা যাচ্ছে।

শুধু তাই নয়, মোট ছয় দফায় এই নির্বাচন হতে পারে বল জানা গিয়েছে। ফল ঘোষণা হতে পারে মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে। এমনটাই জানা গিয়েছে সূত্র মারফত। রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন কবে হবে, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জোর জল্পনা চলছে।

রাজ্যের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফার বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন। সূত্র অনুযায়ী, সেই বৈঠকেই নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঠিক হতে পারে। তবে তার আগে অবশ্যই একাধিকবার বৈঠক হতে পারে। দফা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠক হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। এরপরেই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কমিশন নিতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

অন্যদিকে, আগামী বিধানসভা ভোটের আগে ফের রাজ্যে এসেছেন উপ নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন৷ বুধবার সকাল থেকেই ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে দফায় দফায় বৈঠক করছেন তিনি৷ প্রথম দফায় প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সুদীপবাবু৷ এমনটাই সূত্রের খবর৷

বিভিন্ন জেলার জেলাশাসক ও এসপিদের সঙ্গে বৈঠক করেন উপ নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন৷ দুটি পর্বে হয়েছে এই বৈঠক। একটি পর্বে দক্ষিণবঙ্গ৷ আর অন্য পর্বে উত্তরবঙ্গের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি৷ ওই বৈঠকে মুলত রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে৷ সূত্রের খবর, বৈঠকে কলকাতা পুলিশের এলাকায় রাজনৈতিক অশান্তি নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন উপ নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন।

এদিনের বৈঠকে বসেই তিনি জানতে চান, কলকাতা পুলিশ এলাকায় রাজনৈতিক অশান্তির ঘটনা কমানো যাচ্ছে না কেন। গ্রেফতারির সংখ্যা এত কম কেন ?গত লোকসভা ভোটের সময় উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক এলাকায় রাজনৈতিক সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছিল৷ সেই তথ্য চেয়েও পাওয়া যায়নি৷

আগামী ১৫ জানুয়ারি প্রকাশিত হবে সংশোধিত ভোটার তালিকা৷ সেই তালিকা অনুযায়ী হবে ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচন৷ সংশোধিত ভোটার তালিকা নিয়েও তার কাছে অনেক অভিযোগ এসেছে বলে খবর৷

সেই বিষয়টিও তিনি খতিয়ে দেখবেন৷ এর আগেও একুশের ভোটের প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে রাজ্যে এসেছিলেন উপ নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন৷ সেবারও কলকাতার পুলিশ আধিকারিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।