দেরাদুন : লোকসভা নির্বাচনে প্রশ্নাতীত জয় বিজেপির৷ বিরোধীদের ধূলিসাৎ করেছে মোদী ঝড়৷ তাই লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন অর্থাৎ ২৩শে মে দিনটিকে মোদী দিবস হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত৷ এমনই দাবি যোগগুরু রামদেবের৷ নরেন্দ্র মোদীর ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন এই জয় মোদীর জন্যই সম্ভব হয়েছে৷ তাই মোদী দিবস নামকরণ জরুরি৷

রামদেব বলেন দেশের কোটি কোটি মানুষের মন জয় করেছেন মোদী৷ তাঁদের বিশ্বাস অর্জন করেছেন৷ যা মোটেই সহজ কাজ নয়৷ একদিকে যেমন ছিল মহাগঠবন্ধন, তেমনই আরেকদিকে ছিলেন মোদী একা৷ ফলে উত্তরপ্রদেশ সহ গোটা দেশে নিজের সাফল্যের ছাপ রেখেছেন মোদী৷ তাঁর হাতে দেশ যেমন সুরক্ষিত থাকবে, তেমনই মানুষের ভবিষ্যত সুরক্ষিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি৷

এরপরেই সাংবাদিকদের সামনে তাঁর দাবি ২৩শে মে মোদীর এই জয়কে স্মরণীয় করে রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হোক৷ সরকারের পক্ষ থেকে ২৩শে মে দিনটিকে মোদী দিবস বা লোক কল্যাণ দিবস হিসেবে পালন করা হোক প্রতি বছর৷

এর একদিন আগে অর্থাৎ রবিবারই বিস্ফোরক বক্তব্য রাখেন রামদেব৷ তিনি বলেন তৃতীয় সন্তান হলেই তাঁকে দেশের ভোটগ্রহণে অংশ নেওয়া থেকে বিরত হতে হবে৷ অর্থাৎ কোনও দম্পতির তৃতীয় সন্তান জন্মালে সে ভোট দিতে পারবে না, কোনও সরকারি সুবিধা পাবে না ও ভোটে দাঁড়াতেও পারবে না বলে আইন আনা উচিত সরকারের বলে মত রামদেবের৷

তিনি এদিন বলেন ভারতের জনসংখ্যা কোনও ভাবেই ১৫০ কোটি ছাড়ানো উচিত নয়৷ এর চেয়ে বেশি জনসংখ্যা দেশের ক্ষতি করবে৷ আর সেটা তখনই সম্ভব, যখন সরকার কড়া হাতে জন্মনিয়ন্ত্রণ আইন নিয়ে আসবে৷ হরিদ্বারে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এমনই দাবি করেন যোগগুরু রামদেব৷

এর পাশাপাশি, এদিন তিনি সোচ্চার হন গোহত্যা নিয়েও৷ গরু পাচারকারীদের কড়া ও নজরকাড়া শাস্তি দেওয়ার মাধ্যমেই গোহত্যা বন্ধ করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি৷ গোমাংস না খেয়ে আরও অন্য ধরণের মাংস খাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি৷ দেশ থেকে মদ নিষিদ্ধ করার পরামর্শও দেন রামদেব৷

ফেব্রুয়ারি মাসেও এই ধরণের মন্তব্য করেন তিনি৷ আলিগড়ে একটি অনুষ্ঠানে রামদেব বলেছিলেন, ‘হিন্দু হোক বা মুসলিম, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে দুইয়ের বেশি সন্তান থাকলে সেই দম্পতির সবরকম সুবিধা কেড়ে নিতে হবে।’ শুধু ভোটাধিকার নয়, চাকরি কিংবার চিকিৎসার অধিকারও কেড়ে নেওয়া উচিৎ বলে মন্তব্য করেন তিনি।