স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ : ‘উত্তরপ্রদেশের হাথরাসের ঘটনা মর্মান্তিক। উত্তরপ্রদেশে দলিতদের উপর অত্যাচার হচ্ছে, উত্তরপ্রদেশে বিজেপি সরকার ব্যর্থ।’

‘প্রধানমন্ত্রী অন্যান্য বিষয় নিয়ে টুইট করেন কিন্তু এই বিষয় নিয়ে কোনও কিছু দেখতে পাচ্ছি না। হাথরাসের ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার বিকাল তিনটে থেকে জেলা জুড়ে প্রতিবাদ মিছিল করবে তৃণমূল কংগ্রেস।’ এদিন মালদহে একটি সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত হয়ে একথা বলেন তৃণমূলের রাজ্য সভার সাংসদ মৌসম নূর। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা কো-অর্ডিনেটর দুলাল সরকার, জেলার মুখপাত্র শুভময় বসু সহ জেলা নেতৃত্ব।

উল্লেখ্য, উত্তর প্রদেশের ঘটনা প্রসঙ্গে এদিন সাংবাদিক বৈঠক ডাকা হয়। বৈঠকে রাজ্য সভার সাংসদ মৌসম নুর বলেন, “রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশে এই বৈঠক ডাকা হয়েছে নুর ম্যানসনে। উত্তরপ্রদেশে দলিত সম্প্রদায়ের মানুষদের ওপর অত্যাচার চালানো হচ্ছে। সেখানকার বিজেপি সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ। হাথরাসের ঘটনায় আমরা প্রতিবাদ জানাই।”

এদিন তিনি আরও বলেন, “বিভিন্ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী টুইট করে কিন্তু এবিষয়ে কোনও কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। সেখানে জনপ্রতিনিধিদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। আমরা শুনেছি সেখানে অভিযুক্তদের পক্ষে কাজ করা হচ্ছে। নির্যাতিতার পরিবারকে হেনস্থা করা হচ্ছে। ভয় দেখানো হচ্ছে। যাতে বয়ান পরিবর্তন করা হয়। প্রয়োজনে রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশে সাংসদদের টিমের সঙ্গে আবার উত্তরপ্রদেশের যাব। আমাদের সাংসদদের সঙ্গে যে ব্যবহার করা হয়েছে তা খুবই খারাপ ব্যাপার হয়েছে। দল যদি আমাকে নির্দেশ দেয় তাহলে আমি উত্তরপ্রদেশের ঘটনা রাজ্যসভায় তুলে ধরব।”

এদিন তৃণমূলের পক্ষ থেকে উত্তরপ্রদেশের ঘটনার প্রতিবাদে ধিক্কার মিছিল বের করা হয় ব্লকে ব্লকে। অন্যদিকে মৌসম নূরকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। উত্তর মালদহের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, “নিজের রাজ্য ও জেলার বিষয়ে এরা তুলে ধরে না। নিশ্চয়ই উত্তরপ্রদেশের ঘটনা রাজ্য সভায় বলুন। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে যে নারী নির্যাতনের একাধিক ঘটনা ঘটছে সেগুলিও তুলে ধরা প্রয়োজন। একজন মহিলা সাংসদ হিসাবে তাঁর কর্তব্য এই ঘটনাগুলো সংসদে তুলে ধরা।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I