মালদহ: এবারে জেলা তৃণমূল সভানেত্রী মৌসম নূর এর গলাতেও খেলা হবে স্লোগান। মালতিপুর বিধানসভার ধানগাড়া এলাকায় তৃণমূলের জনসভায় ‘খেলা হবে’ বলেন মৌসম নুর। তাঁর ভাষণ নিয়ে জেলার কংগ্রেস, বাম, বিজেপি শিবির থেকে উঠে আসছে কটাক্ষের বাণ।

ভোট প্রচারের মঞ্চে উঠতেই খেলা হবে স্লোগান তোলেন জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি তথা মালতিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের কো-অর্ডিনেটর আব্দুর রহিম বকশি। বক্তব্য রাখার সময় খেলা হবে বলে মন্তব্য করেন মৌসম নুর।

যদিও স্লেগানটির ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে মৌসম বলেন, যুবরা খেলা হবে এই কথাটা বেশি ব্যবহার করছেন বা তাদের উপর এর প্রভাব বেশি আছে। আমাদের নেত্রী যে যে প্রকল্প করেছেন যা মানুষের কাছে পৌঁছেছে। কিন্তু বিজেপি দেখানোর চেষ্টা করছে মুখ্যমন্ত্রী কোন কাজ করেননি, তারা রাজনীতি নিয়ে অনেক নোংরা খেলা খেলার চেষ্টা করছে, সেটাকে আটকানোর জন্য তৃণমূল দল থেকে এই শ্লোগান উঠেছে খেলা হবে। মানুষ আমাদের পাশে আছে মুখ্যমন্ত্রী পাশে আছে। মানুষ এই খেলার জবাব দেবে। তাই বলা হচ্ছে খেলা হবে।

তৃণমূলের এই খেলা হবে স্লোগানকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। জেলা বিজেপির সহ সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন,যারা খেলা হবে খেলা হবে বলছেন তারা আগে নিজেদের দলের গোষ্ঠী কোন্দলের খেলা শেষ করুন। ২০১৯ সালে খেলা খেলতে এসেছিল পর্যদুস্ত হয়েছে। এবারও আমাদের দলে বিরাট কোহলির মতো খেলোয়াড় আছে অলরাউন্ডার আছে,খেলা শুরু হলে দেখতে পাবেন কত তাড়াতাড়ি উইকেট পড়ে কত রানে তারা বাড়ি ফিরে চলে যায়। যারা খেলা খেলা করছেন এমন খেলা হবে যে তাদের ইতিহাসের পাতায় থাকতে হবে।

এমনিতেই স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের সুবিধা না পাওয়া নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রে সরকার। মালদহ জেলার হরিশচন্দ্রপুরে দুটি ঘটনার জেরে বিব্রত জেলা তৃণমূল শিবির।

ক্যান্সার আক্রান্ত শিশু, আবেদন করেও পায়নি স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এমনই অভিযোগ। পাশে এসে দাঁড়ায়নি কোন জনপ্রতিনিধি। আর যার জেরে শুরু হয়েছে মালদহে রাজনৈতিক চাপান উতোর।
সম্প্রতি স্বাস্থ্য সাথীর কার্ড থাকা সত্ত্বেও মিলছে না চিকিৎসা পরিষেবা। এমনই অভিযোগ তুলে প্রশাসনের কাছে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন করার ঘটনায় ছড়িয়েছিল চাঞ্চল্য।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।