মুম্বই: সাধ্বী প্রজ্ঞাকে ভোটে লড়তে না দেওয়ার জা্রই জানিয়ে আবেদন করেছিলেন মালেগাঁও বিস্ফোরণে মৃতের বাবা। সেই আবেদনের জবাবে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ-র তরফ থেকে জানানো হল যে প্রজ্ঞার বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ ছিল না, তাই শাস্তি দেওয়া হয়নি।

২০০৮-এর মালেগাঁও বিস্ফোরণে অভিযুক্ত সাধ্বী প্রজ্ঞাকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। তারপর থেকেই বিতর্কের ঝড় ওঠে। মঙ্গলবার এনআইএ জানিয়েছে, ২০১৬-তে পেশ রা সাপলিমেন্টারি চার্জশিটে প্রজ্ঞা বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সাধ্বী প্রজ্ঞাও বলেছেন যে কোনও আইনই তাঁকে ভোটে লড়া থেকে আটকাতে পারবেন না।

বিস্ফোরণে মৃত সৈয়দ আহমেদের বাবা নিসার বিলাল এনআইএ কোর্টের আবেদন জানিয়েছিলেন যাতে সাধ্বী প্রজ্ঞাকে ভোটে লড়তে না দেওয়া হয়। তারই জবাবে এমনটা জানিয়েছে এনআইএ। এনআইএ কোর্টেই এই মামলার বিচার চলে। অন্তত ১১০ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।

চার পাতার একটি জবাব দেওয়া হয়েছে এনআইএ-র তরফে। তবে ভোটে লড়তে পারবেন কিনা সেব্যাপারে কোনও মন্তব্য করেনি এনআইএ। সেই বিষয়টা নির্বাচন কমিশনের উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এর আগে নিসর বিলাল প্রজ্ঞার জামিন খারিজ করে দেওয়ার আর্জি জানিয়েছিলেন। কিন্তু উপযুক্ত প্রমাণ না থাকায় সেই আর্জিও বাতিল হয়ে যায়।

২০০৮-এ মহারাষ্ট্রের মালেগাঁওতে একটি মসজিদের সামনে ২০০৮-এর ২৯ সেপ্টেম্বর পর পর কয়েকটি বোমা বিস্ফোরণে ৬ জন মারা যান। সেই হামলায় সাধ্বীর যুক্ত থাকার প্রমাণ মিলেছিল। এরপরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

বৃহস্পতিবার বিজেপি মুখপাত্র জিভিএল নরসিংহ রাও সাধ্বীকে নির্দোষ আখ্যা দিয়ে বলেন, হিন্দুদের জঙ্গি সাজানোটা কংগ্রেসের চক্রান্ত। রাহুল গান্ধী তার মাথা। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবেই বিজেপি ভোপালে প্রজ্ঞাকে প্রার্থী করেছে। ‘হিন্দু সন্ত্রাস’ নিয়ে সব চেয়ে বেশি সরব ছিলেন দিগ্বিজয় সিংহ। সেই কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন প্রজ্ঞা। সম্প্রতি একটি প্রচারসভায় প্রজ্ঞা কান্নায় ভেঙে পড়ে দাবি করেন, জেলে পুলিশ তাঁর ওপর অত্যাচার করে অনেক কিছু স্বীকারোক্তি আদায় করে নিয়েছে।