কলকাতা: ফুটবল মক্কায় এটাই তাঁর প্রথম সফর, যুবভারতীও দেখলেন এই প্রথম বার৷ এই যুবভারতীতেই চলতি বছরে ডার্বিতে হয়েছে৷ সেই ম্যাচে দর্শকসংখ্যা ছিল ষাট হাজারের বেশি৷ সে সবখবরই রেখেছেন ইন্ডিয়ান অ্যারোজের কোচ নন্টন মাতোস৷ যুবভারতীতে প্রস্তুতি শুরুর আগে হাসতে হাসতে বলে চললেন, ‘দারুণ স্টেডিয়াম৷ অনেক সুনাম শুনেছি এই স্টেডিয়ামের৷ এবার প্রথমবার দেখলাম৷’

আরও পড়ুন- ড্রেসিংরুম না পেয়ে ‘অপমানিত’ মাতোস

১৯৯৭ এর জুলাই ডার্বিতে এই যুবভারতীতেই দর্শকসংখ্যা ছিল এক লক্ষ একত্রিশ হাজার৷ স্থানীয় সাংবাদিকদের থেকে রেকর্ড দর্শক সংখ্যার সেই তথ্য পেয়ে বিস্মিত মাতোস৷

শুক্রবার অবশ্য যুবভারতীতে নয়, বাগানের বিরুদ্ধে মাতোসের দল নামতে চলেছে মোহনবাগান মাঠে৷ এই ম্যাচের হাত ধরেই ময়দানে ফিরছে আই লিগের ম্যাচ৷

ছবি- সুভীক কুন্ডু

বাগান-অ্যারোজ দ্বৈরথে দর্শক সংখ্যা ১৫ হাজারের বেশি দর্শক হতে চলেছে বলে আশা রাখছে আয়োজক মোহনবাগান৷ যা শুনে মাতোস বলছেন, ‘সেই সংখ্যা টাও তো নেহাত কম নয়, জুনিয়রদের কাছে এটা অন্য এক অভিজ্ঞতা হতে চলেছে৷’

আরও পড়ুন-  হেরেও প্রোমোশন ভারতীয় কোচ মাতোসের

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।