নিজস্ব প্রতিনিধি, ব্যারাকপুর: তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকা সালিশি সভা ঘিরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল উত্তর ২৪ পরগনার নিমতায়। শুক্রবার সন্ধ্যায় নিমতার বড় ফিঙ্গা পাড়া র এই গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছেন দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন।পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে নামানো হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

নিমতা বর ফিঙা পাড়া এলাকার এক প্রতিবন্ধী মহিলা-কে ধর্ষনের ঘটনা মিটিয়ে নেওয়ার জন্য ডাকা সালিশি সভা ঘিরে শুক্রবার সন্ধ্যায় সূত্রপাত হয় এই গোষ্ঠী সংঘর্ষের। নিমতা থানার অন্তর্গত বর ফিঙ্গাপাড়া এলাকার বাসিন্দা জনৈক সুশান্ত পালের বাড়িতে কর্মরত মুখ ও বধির এক মহিলাকে ধর্ষন করার অভিযোগ উঠেছে সুশান্ত পালের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার অভিযোগ দায়ের করা হয় নিমতা থানায়। শুক্রবার এই ধর্ষনের ঘটনার মিটিয়ে নিতে ডাকা হয় সালিশি সভা।

আর সেই ঘটনা ধামাচাপা দিতে অপরেশ দে, নির্মল বিশ্বাস-সহ শাসক দলের কিছু কর্মীরা অভিযুক্ত সুশান্ত পালের পক্ষে ওই সালিশি সভায় উপস্থিত হয়ে নির্যাতিতা ও তার পরিবারের লোকেদের মারধর করে বলে অভিযোগ। সেই সময় বিদায়ি কাউন্সেলর শেখ নাজিমউদ্দিন ও তার ঘনিষ্টরা বাধা দিতে গেলে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। শেখ নাজিমুদ্দিন ও তার ঘনিষ্ট দের অভিযোগ, অপরেশ দে ধর্ষনের অভিযোগে অভিযুক্ত সুশান্ত পাল-কে বাঁচাতে চাইছে, তাই মিটিংএ এসে নির্যাতিতা ও তার পরিবারের লোকেদের মারধর করেছে।

অপর দিকে এই সংঘর্ষের ঘটনায় অভিযুক্ত অপরেশ দে তৃণমূলের বিদায়ী কাউন্সিলর শেখ নাজিমউদ্দিন ও তার ঘনিষ্ট দের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ করে বলেন “এই ঘটনা টি পূর্ব পরিকল্পিত,৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আমাদের মিটিং এ ডেকে ক্লাবে মধ্যে নিয়ে গিয়ে মারধর করেছে। আমাদের কে মারধর করবে বলে আগে থেকেই ক্লাবের মধ্যে ওর লোকজন মজুত রেখে ছিল৷ আমরা মিটিং এ যেতে কাউন্সিলরের লোকজন আমাদের ওপর হামলা চালায়। ওরা এলাকা কে উতপ্ত করতে ইচ্ছাকৃত ভাবে গন্ডগোল সৃষ্টি করছে।”

এই সালিশি সভা ঘিরে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে নিমতা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। যেকোন অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে আর না ঘটে তাই এলাকা চলছে পুলিশি টহল।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও