মুম্বই: গত ১৩ অক্টোবর মুম্বই জুড়ে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা গিয়েছিল। ওই সময় বসে গিয়েছিল সেখানকার সমস্ত পাওয়ার গ্রিড। এর পিছনে রয়েছে সাইবার হানা বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

সেই সময় সাইবার হানায় মাধ্যমে নাশকতা চালিয়ে সমস্ত বিদ্যুতের গ্রিডকে বসিয়ে দেওয়া হয়েছিল। যার জেরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে ছিল দেশের বাণিজ্য নগরী। এমনটা সন্দেহ করছেন রাজ্য বিদ্যুৎ দপ্তরের প্রযুক্তিবিদ ইঞ্জিনিয়াররা।

সেদিনের ঘটনার তদন্তে নেমেছে মহারাষ্ট্রের সাইবার অপরাধ দমন শাখা। মুম্বইয়ের নজিরবিহীন‌ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ খুজতে তদন্ত চালানো হচ্ছে।

সাইবার অপরাধ দমন শাখা জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণ মিলেছে পাড়ঘা অঞ্চলের গ্রিড অফিসের কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ম্যালওয়্যার ভাইরাস ঢোকনো হয়েছিল। যার ফলে মুম্বই ,নভি মুম্বই ,থানে অঞ্চলের সবকটি পাওয়ার গ্রিড বসে গিয়েছিল। সেদিন ম্যালওয়্যার ঢুকিয়ে দিয়ে স্টেট লোড ডেস্পাচ সেন্টারের ক্ষতি করা হয়েছিল।

মহারাষ্ট্রের বিদ্যুৎ মন্ত্রী নীতিশ রাউত জানিয়েছেন, ১৩অক্টোবর সকাল দশটা থেকে দু ঘন্টার জন্য মুম্বইয়ের সমস্ত কাজকর্ম বন্ধ হয়ে গিয়েছিল এই বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের জেরে। সেদিনের ওই ঘটনার পিছনে সাইবার হামলার মতো নাশকতার আভাস মিলেছে। কোথা থেকে তা করা হয়েছে তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.