নয়াদিল্লি: চিনের দীর্ঘস্থায়ী অবরোধ প্রত্যাহারের পর মাসুদ আজহারকে ১ মে বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী হিসাবে তকমা দিয়েছিল রাষ্ট্রপুঞ্জ। এই নিয়ে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মোদি বলেছেন, জইশ-ই-মহাম্মদ প্রধান মাসুদ আজহারকে বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী হিসাবে মনোনীত করা হয়েছিল, কারণ বর্তমানে দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে এক ইঞ্চিও জমি ছেড়ে দেবে না ভারত।

চিনের দীর্ঘস্থায়ী অবরোধ প্রত্যাহারের পর পাক মদতপুষ্ট মাসুদ আজহারকে ১ মে বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী হিসাবে মনোনীত করা হয়। চারবার এই অবরোধ তুলে নিয়েছে চিনের রাজধানী বেজিং।

আজহারের জন্য সন্ত্রাসী তকমা ভারতের জন্য পরম কূটনৈতিক জয়। চিনের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করে চলেছিল, যে কারণেই এই জয় সম্ভব হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এমনকি হুমকি দিয়েছিল বিষয়টির ওপর নজর আরোপ করার জন্য। তা নাহলে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বিষয়টি সর্বসমক্ষে তুলে ধরবে বলেও জানিয়ে দেয় তারা। এক্ষেত্রে রুদ্ধদ্বার বৈঠক আর হবে না।

হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, আজহারের তালিকা তার সরকারের ‘ভারত ফার্স্ট’ বিদেশী নীতি ছিল, যা মৌলিক আদর্শে পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, মাসুদ আজহারের বিষয় শুধু চিন সম্পর্কে নয় বরং বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদ সম্পর্কে। বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী হিসাবে মাসুদ আজহারের তালিকাভুক্তি ঘটেছে। কিন্তু আজহারের বিষয় চিন সম্পর্কে নয়। কেন আমরা এটা করে রাখব?

জাতিসংঘের ১২৬৭ সনদ কমিটির দ্বারা মাসুদ আজহার তালিকাভুক্ত হয়েছিলেন। তার সন্ত্রাসবাদী ভূমিকা, পরিকল্পনা ও জেএম কর্তৃক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে তার ভূমিকার জন্য।

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, ভারত ও চিন বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছে, তারা বুঝতে পারে যে তাদের মধ্যে অনেক বেশি ঐক্যের জায়গা রয়েছে। “আমাদের উভয় দেশ উপলব্ধি করে এবং স্বীকার করে যে আমাদের মতবিরোধ আছে কিন্তু আমরা এই বিষয়েও সচেতন যে আমরা এই মত পার্থক্যকে বিবাদ হিসেবে গড়ে উঠতে দেব না “