নয়াদিল্লি: পাকিস্তানে বহাল তবিয়তে রয়েছে মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি মাসুদ আজহার৷ বোমা নিরোধক বাড়িতে কড়া সুরক্ষা বলয়ে রয়েছে জঙ্গি মাসুদ আজহার৷ সবার আড়ালে মাসুদ আজহারকে লুকিয়ে রেখেছে পাকিস্তান। সরকারি টাকায় জঙ্গি নেতাকে জামাই আদরে রেখেছে ইসলামাবাদ৷ পাকিস্তানের ভাওয়ালপুরে জইশ-এ মহম্মদ প্রধানকে নিরাপদ আশ্রয়ে রেখে দিয়েছে ইমরান খানের সরকার৷ সম্প্রতি গোয়েন্দা রিপোর্টে এমনই তথ্য সামনে এসেছে৷

জইশ-এ মহম্মদ জঙ্গি মাসুদ আজহার পাকিস্তানে বহাল তবিয়তে রয়েছে৷ মুখে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করলেও আসলে তাকে নিরাপদ আশ্রয় দিতে ভাওয়ালপুর এলাকায় একটি বোমা-নিরোধক বাড়িতে রাখা হয়েছে৷ স্বাচ্ছন্দের জন্য সবরকম আয়োজন রয়েছে ওই বাড়িতে৷ বাড়ির বাইরে সরকারি টাকায় মোতায়েন নিরাপত্তারক্ষীরা৷ ইতিমধ্যেই মাসুদ আজহারকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি বলে ঘোষণা করেছে রাষ্ট্রসংঘ৷

শুধু মাসুদ আজহারই নয় তাবড় জঙ্গিকে নিরাপদ আশ্রয়ে রেখেছে পাকিস্তান৷ মুম্বই বিস্ফোরণের মূল চক্রী দাউদ ইব্রাহিম, ২৬/১১-এর মুম্বই হামলার মূল মাথা হাফিজ সইদ-সহ একাধিক জঙ্গি নেতা পাকিস্তানের মাটিতে বহাল তবিয়তে দিন কাটাচ্ছে দিনের পর দিন ধরে৷ রাষ্ট্রসংঘের চাপে কখনও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হলেও লোকদেখানো গ্রেফতারিতেই বরাবর দায় সেরে এসেছে পাকিস্তান৷

পাকিস্তানের করাচির ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় বহাল তবিয়তে রয়েছে দাউদ ইব্রাহিম। পাক সরকারের তরফে দাউদকে বিশেষ নিরাপত্তা দেওয়া হয়। করাচিতে প্রাসাদপম দুটি বাড়ি রয়েছে দাউসেদর৷ ১৯৯৩ সালের মুম্বই বিস্ফোরণে দাউদের যুক্ত থাকার একাধিক প্রমাণ পাকিস্তানকে দিয়েছে ভারত। কিন্তু তারপরও দাউদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা তো দূর অস্ত তার পাকিস্তানের মাটিতে থাকার বিষয়টিও কোনওদিন স্বীকার করেনি ইসলামাবাদ৷

একই ভাবে পাক মাটিতে নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছে লস্কর-ই-তইবার প্রধান হাফিজ সইদও। ২০০১ সালে সংসদে হামলা, মুম্বইয়ে জঙ্গি হামলার পাশাপাশি ভারতের মাটিতে একাধিক নাশকতায় হাফিজ সইদের প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে৷ সইদের বিরুদ্ধেও পাকিস্তানকে একাধিক প্রমাণপত্র তুলে দেয় ভারত৷ এব্যাপারেও পাকিস্তান কোনও পদক্ষেপই করেনি৷