ইসলামাবাদ: ভারতের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা সফল হয়েছে। রাষ্ট্রসংঘ আন্তর্জাতিক জঙ্গি তকমা দিয়েছে ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নেতা মাসুদ আজহারকে। সন্ত্রাসবাদ দমনে বড় সাফল্যের মুখ দেখেছে ভারত।

জয়েশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহারকে সুরক্ষিত জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, ভাওয়ালপুরে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে মাসুদ আজহারকে। এবার তাকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কোনও সুরক্ষিত জায়গায়।

জয়েশ-ই-মহম্মদের হেডকোয়ার্টার পাকিস্তানের ভাওয়ালপুরে। বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের পর তাকে ইসলামাবাদের সুরক্ষিত জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে খবর।

এর আগে শোনা গিয়েছিল মাসুদ আজহার অসুস্থ। এমনকি তার মৃত্যুর খবরও পাওয়া যায়। যদিও পাকিস্তানের এক মন্ত্রীই জানিয়েছিলেন যে সুস্থই আছেন মাসদ আজহার।

বুধবার আন্তর্জাতিক জঙ্গি তকমা পেয়েছে জইশ প্রধান মাসুদ আজহার৷ আন্তর্জাতিক মহলে বড়সড় সাফল্য পেল নয়াদিল্লি৷ রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের পর জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহারকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি হিসেবে ঘোষণা করা হয়৷

এই কূটনৈতিক সাফল্যের পর মোদী বলেন, ‘ভারত আজ যা বলে তা গোটা দুনিয়া শোনে। আর এটাই তো শুরু। আগামিদিনে কী হয় দেখুন।’

মাসুদ আজহারকে ব্ল্যাকলিস্টে ফেলার জন্য বারবার উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। রাষ্ট্রসংঘের দ্বারস্থও হয়েছে। কিন্তু পাকিস্তান বরাবরই মাসুদ আজহারকে বাঁচিয়ে দিয়েছে। সৌজন্যে রাষ্ট্রসংঘে চিনের ভেটো৷ সেই জঙ্গিনেতাকে নিষিদ্ধ করার জন্য ভারতের উপর শর্তও চাপিয়ে ছিল পাকিস্তান।

পুলওয়ামা হামলায় জইশের যোগ থাকার একাধিক প্রমাণ পেয়েছে ভারত। জইশের ঘাঁটিতে গিয়ে অভিযানও চালিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। সেই জইশের প্রধানই মাসুদ৷ কিন্তু পাকিস্তানের দাবি ছিল, ভারতকে পুলওয়ামা কাণ্ড থেকে মাসুদ আজহারের নাম সরিয়ে নিতে হবে।