নয়াদিল্লিঃ জইশ প্রধান মাসুদ আজহার মৃত! হঠাত করে রবিবার সন্ধ্যায় আসা এমন খবরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। কিন্তু এরপরেই জইশের তরফে বিবৃতি দেওয়া হয়। বিবৃতিতে জানানো হয় যে, আল্লার কৃপায় ভালোই আছেন জইশ প্রধান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে এই খবর প্রকাশিত হতেই উঠে পড়ে লাগে পাক মিডিয়াও। জঙ্গি মাসুদের পরিবারকে পালটা কোট করে খবর প্রকাশিত করতে থাকে পাকিস্তানের একাধিক সংবাদমাধ্যম।

পাকিস্তানে জিও টিভির খবর অনুযায়ী মাসুদ আজহারের মৃত্যুর খবর মিথ্যে। জইশ প্রধানের পরিবারের ঘনিষ্ঠ একজনকে কোট করে সেই সংবাদমাধ্যম জানায়, বেঁচে রয়েছে আজহার। অন্যদিকে, এতবড় এক জল্পনার মধ্যেও মুখ খোলেনি পাক সরকারের কোনও মন্ত্রী বা আধিকারিক। যদিও দেশের তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরিকে রবিবার এনিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি এই নিয়ে কিছুই জানি না।’

প্রসঙ্গত, গত কয়েকদিন ধরেই পাকিস্তান সেনা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে পুলওয়ামা হামলার মূল ষড়জন্ত্রী মাসুদ আজহার। কিডনি সংক্রান্ত একাধিক সমস্যায় জর্জরিত তিনি। এরপরে শনিবার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম দাবি করতে থাকে অবস্থার নাকি অনেকটাই অবনতি হয়েছে। এমনকি বিছানা ছেড়ে উঠতেই পারছেন না জইশ প্রধান। এরপরেই গতকাল রবিবার এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয় যে মাসুদ আজাহারের মৃত্যু হয়েছে পাকিস্তানের মাটিতে। স্বভাবতই এই খবরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে। যদিও পরে জানানো হয় তিনি সুস্থ রয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।