প্রতীতি ঘোষ,বারাকপুর: ভয়াল করোনা সভ্য-সমাজকে আরও একবার দিচ্ছে মানবতার পাঠ। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে এবার মাস্ক বানাচ্ছেন সংখ্যালঘুরা। দিনরাত এক করে মাস্ক তৈরির কাজ করছেন তাঁরা। বারাকপুর শহরে তাঁদের তৈরি সেই মাস্ক বিনামূল্যে বিলি করা হবে।

মারণ করোনার সংক্রমণ রুখতে রাজ্যে মাস্ক বাধ্যতামূলক ঘোষণা করা হয়েছে । যাঁরা এখনও মাস্ক কিনতে পারেননি বা মাস্ক পাননি, তাঁদের জন্য মাস্ক তৈরির মহাযজ্ঞ চলছে বারাকপুর পুরসভার অন্তর্গত ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে । গোটা বিষয়টি দ্বায়িত্ব নিয়ে তদারকি করছেন বারাকপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর নৌসাদ আলম ।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার করোনা ভাইরাসের গোষ্ঠী সংক্রমণ রুখতে সতর্কতামূলক প্রচার চালাচ্ছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক মূলক ঘোষণা করেছে রাজ্য প্রশাসন । মাস্ক ছাড়া কেউ যেন বাড়ির বাইরে না বেরোন সেই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ।

রাজ্য সরকারের এই নির্দেশিকার পর থেকেই এলাকার গরিব মানুষদের বিনামূল্যে মাস্ক তৈরি করে বিলি করার উদ্যোগ নিয়েছেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের তৃণমূল কর্মীরা। মাস্ক তৈরির এই মহাযজ্ঞ চলছে উত্তর ২৪ পরগনার বারাকপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে ।

বারাকপুর শহরের বিভিন্ন দর্জির দোকানের ফেলে দেওয়া নতুন টুকরো টুকরো কাপড় সংগ্রহ করে নিজেদের উদ্যোগে দুঃস্থদের জন্য মাস্ক তৈরি করছেন সংখ্যালঘু ভাইবোনেরা। প্রত্যেকদিন গড়ে ৫০০ টি করে মাস্ক তৈরি করা হচ্ছে ।

তৃণমূল কাউন্সিলর নৌসাদ আলম জানান, তাঁরা আরও ১০ দিন এই ভাবেই মাস্ক তৈরি করে দুঃস্থদের বিলি করবেন। আপাতত ৫ হাজার মাস্ক তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে । করোনা ভাইরাসের প্রকোপ দেখা দিয়েছে বারাকপুর শহরেও ।

এই অঞ্চলকে রাজ্য প্রশাসন স্পর্শকাতর বলে ঘোষণা করেছে। ইতিমধ্যেই বারাকপুর মহকুমা এলাকাকে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রেখেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর । করোনা সংক্রমণ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সেই লক্ষ্যেই নাগরিকদের মাস্ক পড়ার পরামর্শ দিয়েছে রাজ্য সরকার। বারাকপুর শহরের সকলেই যাতে মাস্ক ব্যবহার করতে পারে সেই জন্য পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভাইবোনেরা এই মাস্ক তৈরি করে চলেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।